টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বন্যা ও করোনায় কর্মহীন পাঁচ হাজার দরিদ্রদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী ও ওষুধ বিতরন করেছেন স্ট্যাডার্ড চাটার্ট ব্যাংক এবং কুমদিনী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্ট অব বেঙ্গল (বিডি) লি. এবং সিটি গ্রুপ। শনিবার মির্জাপুর উপজেলার ওয়ার্শি ও বানাইল ইউনিয়নে এ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
এ সময় বানাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফারুক হোসেন, ওয়ার্শি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মাহবুব আলম মল্লিক হুরমহল, কুমুদিনী হাসপাতালের কর্মকর্তা স্বপন মন্ডল এবং জাহাঙ্গীর আলম জনি উপস্থিত ছিলেন।
কুমুদিনী হাসপাতালের এজিএম (অপারেশন) অনিমেশ ভৌমিক লিটন জানান, পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ড ছাড়াও পর্যায়ক্রমে উপজেলার মহেড়া, জামুর্কি, ফতেপুর, বানাইল, আনাইতারা, ওয়ার্শি, ভাদগ্রাম, ভাওড়া, বহুরিয়া, গোড়াই, লতিফপুর, আজগানা ও বাঁশতৈল ইউনিয়নে করোনায় সঙ্কটে থাকা দরিদ্রদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: মনপুরায় জেলেদের জালে দেখা নেই ইলিশের
খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে ছিল, জনপ্রতি চাল ১০ কেজি, ডাল চার কেজি, তেল এক লিটার, চিনি এক কেজি, আটা কেজি, লবণ এক কেজি, হ্যান্ডওয়াস এবং ডিটারজেন্ট পাউডার।

এর আগে কুমুদিনী হাসপাতাল গেট সংলগ্ন মির্জাপুর পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের করোনায় সঙ্কটে থাকা দরিদ্রদের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরন করা হয়।
ত্রাণ বিতরনের সময় স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ট ব্যাংকের কর্মকর্তাগন, কুমুদিনী ওয়েল ট্রাস্ট অব বেঙ্গ (বিডি) লি. এর পরিচালক মহবীর পতি, কুমুদিনী হাসপাতালের পরিচালক ডা. প্রদীপ কুমার রায়, এজিএম (অপরারেশন) অনিমেশ ভৌমিক লিটন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাই, কুমুদিনী নার্সিং স্কুল এন্ড কলেজের প্রিন্সিপাল সিস্টার রিনা ক্রুস এবং মেট্রন সিস্টার দিপালী পেরেরা, মির্জাপুর পৌরসভার প্যোনেল মেয়র চন্দনা দে, পৌর কাউন্সিলর মো. আলী আজম সিদ্দিকী ও আমিরুল কাদের লাবন উপস্থিত ছিলেন।
ইত্তেফাক/এসি
