গতকাল শনিবার বিআরটিসির প্রধান কার্যালয়ে ঈদ সার্ভিস উপলক্ষ্যে গৃহীত পদক্ষেপ ও দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বলেছেন, বিআরটিসির বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ আছে। বিআরটিসিকে অনিয়মের ধারা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। অনিয়মের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, কেউ জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে নয়। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সততা, নিষ্ঠা ও দেশপ্রেম নিয়ে কাজ করতে হবে। সংসদ ভবনের সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিআরটিসি’র ডিপোকেন্দ্রিক যে অনিয়ম রয়েছে তা শক্তভাবে নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। সদরদপ্তরের কিছু সমস্যা আছে বলে আমার জানা আছে। বিআরটিসির পরিবহন মেরামত, ক্রয়, ভূমি ইজারা প্রদান, ইজারা আদায়, দৈনিক ট্রিপ ব্যবস্থাপনা, সেবা থেকে আদায়, বাস লিজ প্রদান করার ক্ষেত্রে অনিয়মের ভূতের আসর আছে বলে আমার কাছে অভিযোগ আছে।
তিনি বলেন, ‘গত কয়েক বছরের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, ঈদের সময় সড়ক দুর্ঘটনা বেড়ে যায় । আমি ঈদ পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী যাত্রায় সতর্কতার সঙ্গে গাড়ি চালনার জন্য পরিবহন মালিক এবং শ্রমিকদের অনুরোধ জানাচ্ছি। এর পাশাপাশি ফিরতি যাত্রায় বা ঈদের পর কোনোরূপ শৈথিল্য না দেখিয়ে কড়া নজরদারির জন্য জেলা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকার সর্বোচ্চ প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। শেখ হাসিনা এ দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে দিনরাত পরিশ্রম করছেন। আপনারা আস্থার সঙ্গে মনোবল দৃঢ় রেখে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিজেদের সুরক্ষিত রাখুন। শিগগিরই এই করোনার অমানিশা কেটে আবার আমরা ফিরব চিরচেনা সতেজ পৃথিবীতে, পরিচিত কোলাহলে।
