বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে এ পর্যন্ত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সামগ্রিক আচরণে জনগণ হতাশ ও ক্ষুব্ধ। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর করোনা সংক্রমণ রোধে ভালো নম্বর পাওয়ার আত্মতৃপ্তিমূলক বক্তব্য বালখিল্যতা আখ্যা দিয়ে বলা হয়, উনি সম্ভবত নিজেই নিজেকে নম্বর দিচ্ছেন। জনগণ এই দুর্যোগ মুহূর্তে কোনোভাবেই স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর আস্থা রাখতে পারছে না। জনগণকে তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মধ্য দিয়ে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে নিজেদের সুরক্ষার দায়িত্ব নিজেদের হাতেই তুলে নিতে হবে। গতকাল শনিবার কমিটির ভার্চুয়াল সভায় গৃহীত এক প্রস্তাবে এ কথা বলা হয়।
প্রস্তাবে আরো বলা হয়, করোনা ভ্যাকসিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ গড়িমসি করছে। সমালোচনার মুখে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের পদত্যাগকে ইতিবাচক আখ্যা দিয়ে বলা হয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ যদি এসবের নৈতিক দায়িত্ব নিয়ে সরে যেতেন তাহলেও দেশবাসী মনে করত যে, এদের সবার বোধোদয় হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতিতে জনজীবনে দুর্ভোগে দুঃখ প্রকাশ করে প্রস্তাবে বলা হয়, বাঁধ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণে চুরি, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা বন্যা পরিস্থিতিকে আরো সংকটপূর্ণ করেছে।
পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের সভাপতিত্বে এই ভার্চুয়াল সভায় পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা রাজনৈতিক রিপোর্ট পেশ করেন। শোক প্রস্তাব পাঠ করেন পলিটব্যুরো সদস্য কামরুল আহসান। সাংগঠনিক রিপোর্ট পেশ করেন পলিটব্যুরো সদস্য নুর আহমদ বকুল।
