করোনা মোকাবিলা

নারী ও শিশুদের জন্য নতুন প্রকল্প

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২০, ২০:৪৬

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেছেন, বৈশ্বিক মহামারি করোনা সংক্রমণের ফলে ঘরবন্দি নারী ও শিশুরা স্বাস্থ্য ঝুঁকি, মানসিক চাপ ও বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হচ্ছে। প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত নারী কর্মীরা কর্মহীন হয়ে পড়ছে। যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে তাদের অর্থনৈতিক, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তায়। করোনা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ১ লাখ কোটি টাকার বেশি প্রণোদনা প্যাকেজ থেকে নারীরা উপকৃত হচ্ছে। ১ কোটি পরিবারকে সরকার খাদ্যসহায়তা ও শিশুখাদ্য বিতরণ করছে। করোনা মোকাবিলায় এ মন্ত্রণালয় থেকে নারী ও শিশুর উন্নয়ন এবং সুরক্ষায় নতুন প্রকল্প ও কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি বাংলাদেশ শিশু একাডেমি মিলনায়তনে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় মন্ত্রণালয়ের করণীয় ও ভবিষ্যত্ কর্মপন্থা নির্ধারণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

করোনায় পারিবারিক সহিংসতা ও বাল্যবিবাহ বেড়েছে কিনা—এমন প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য বা পরিসংখ্যান নেই। বিশ্ব জুড়ে নারী ও শিশুরা সহিংসতার শিকার হচ্ছে, বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। তবে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, নারী ও শিশুর প্রতি যেকোনো ধরনের সহিংসতা বন্ধে কাজ করে যাচ্ছে। বিভিন্ন কমিটি মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে। সচিব কাজী রওশন আক্তার বলেন, বিশ্বব্যাপী করোনা পরিস্থিতির অনিশ্চয়তা ও কর্মহীনতা নারীর ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করছে। করোনায় আমাদের কার্যক্রম চলমান। তবে করোনা পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এখনই প্রস্তুতি নিতে হবে।

সভায় করোনাকালে নারী-শিশু উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প থেকে কী ধরনের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে ও ভবিষ্যতে কী করা যেতে পারে সে বিষয়ে প্রকল্প পরিচালকরা বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। আলোচনা শেষে বর্তমান পরিস্থিতিতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ, চলমান প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে জোরালো পদক্ষেপ এবং নতুন প্রকল্প ও কর্মসূচি গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়।