খাল আছে কিন্তু নেই পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা। যার ফলে ফসলের মৌসুমে জমিতে আটকে থাকে পানি। এমনটাই দেখা যায় সেঙ্গুয়া-পালাখাল এবং সেঙ্গুয়া-ভূইয়ারা মধ্যবর্তী ফসলের মাঠের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া সুন্দরী খালে। এই খালটিই এলাকার প্রধান দুই মাঠের পানি নিষ্কাশনের একমাত্র ব্যবস্থা। যেই মাঠগুলোতে হাজারো মেট্রিক টন আলু, ভুট্টা, গম, কাউন, ধান চাষ হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয়, খালটি খননের অভাবে এবং গভীরতা না থাকায় খালের প্রশস্ততা কম হওয়ার কারণে পানি ঠিকভাবে নিষ্কাশিত হতে পারে না। ফলে কোনো ফসলই ঠিকঠাক ঘরে ওঠানো সম্ভব হয় না। সুন্দরী খাল খনন ও গভীরকরণের বিষয়ে কচুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা চেয়ারম্যান এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। অন্যথায় ফসল ক্ষতির সম্মুখীন হবেই।
মো. জহিরুল ইসলাম
কচুয়া, চাঁদপুর
