লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে লক্ষ্মীপুরে জমতে শুরু করেছে পশুর হাট। চলমান করোনা পরিস্থিতিতে সামাজিক দূরত্বের নির্দেশনার তোয়াক্কা না করে ঝুঁকি নিয়ে পশু কেনাবেচা চলছে। লক্ষ্মীপুরের সব থেকে বড় হাট পৌর গরুর বাজার, মোল্লার হাট বাজার ঘুরে দেখা যায়, হাটে প্রচুর পশু আর ক্রেতা-বিক্রেতা। একজন আরেক জনের গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে, কেউ করছেন পশুর দরদাম। এদের অধিকাংশের মুখে নেই মাস্ক। কারো কারো মাস্ক থাকলেও তা নামানো থুতনিতে।
পৌর গরুর বাজারে গরু বিক্রি করতে আসা জাফর আলী বলেন, এক সঙ্গে এত মানুষের ভিড় থাকায় যে গরম পড়েছে, তাতে মাস্ক পড়ে থাকা যায় না। হাটে পশু ক্রয় করতে আসা মিজানুর রহমান বলেন, হাটে ইজারাদার বা স্থানীয় প্রশাসনের তেমন কোনো পদক্ষেপ নেই। হাটের চারপাশে গড়ে ওঠা অস্থায়ী খাবার হোটেলেও নেই স্বাস্থ্যবিধি বা সামাজিক দূরত্ব মানার চিত্র।
এদিকে গরু ব্যবসায়ীরা জানান, গত বছর যে গরু বিক্রি হয় ৪৫-৫০ হাজার টাকায়, সে গরু এখন বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৪০ হাজার টাকায়। তাতেও ক্রেতার সংখ্যা কম। লক্ষ্মীপুর পৌর গরু বাজারের ইজারাদার মনির হোসেন বলেন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং সবাইকে মাস্ক পরিধান করে হাটে আসার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। হাটে আসা ক্রেতা-বিক্রেতারা যদি এসব আইন না মানেন, এক্ষেত্রে আমাদের কী করার থাকতে পারে।
লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক অঞ্জন চন্দ্র পাল বলেন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ক্রেতারা যেন পছন্দের পশুটি ক্রয় করে নিতে পারেন সেজন্য সকল ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে ইজারাদারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেউ নির্দেশনা অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নাটোরে পর্যাপ্ত পশু থাকলেও ক্রেতা নেই হাটে।
