পুঠিয়া উপজেলা হাসপাতাল
পুঠিয়া (রাজশাহী) সংবাদদাতা
পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিত্সকসহ জনবল সংকটে কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা। সরেজমিনে জানা গেছে, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে প্রতিদিন গড়ে ৪০০ রোগী আউটডোরে চিকিত্সা নিতে আসেন। করোনা ভাইরাসের আগে আরো বেশি হতো। বর্তমানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে সার্জারি ও অ্যানিস্থিশিয়া চিকিত্সক না থাকায় সিজারিয়ানসহ বড় ধরনের অপারেশন বন্ধ আছে। এদিকে বিশেষজ্ঞ চিকিত্সক না থাকায় দুর্ঘটনার রোগীকে পাঠাতে হয় রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। রোগীরা অভিযোগ করেছেন, চিকিত্সা নিতে এসে রোগী ধরা দালাল ও ওষুধ কোম্পানির এক শ্রেণির প্রতিনিধির হয়রানির স্বীকার হন তারা। রোগী ধরা দালাল ও ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের হয়রানির ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে জানিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজমা আক্তার জানান, ক্যাডার, স্থায়ী রাজস্ব, অস্থায়ী রাজস্ব ও উন্নয়ন খাতে মোট ১৮২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর স্থলে এখানে বর্তমানে ১৩৬ জন কর্মরত রয়েছেন। বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকসহ ১৫ জন চিকিত্সক, নার্স একজনসহ পদ শূন্য রয়েছে ৪৬ জনের। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিচালনা পরিষদের সভাপতি, রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য প্রফেসর ডা. মো. মনসুর রহমান জানান, পুঠিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিত্সক, নার্সসহ শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
