‘দুটি ধারাবাহিক ও দুটি একক নাটক নিয়ে আসছি’

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২০, ২১:৩৫

মাসুদ সেজান, নাট্যকার ও নির্মাতা

 

মাসুদ সেজান। ঈদ মানেই যার নাটকের জন্য দর্শক অপেক্ষা করেন। দীর্ঘ সময় জনপ্রিয়তাকে ধরে রেখে যিনি একের পর এক নির্মাণ করে চলেছেন অসাধারণ সব গল্পচিত্র। এবার ঈদে নন্দিত এই নির্মাতার কাজ ও অন্যান্য প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলেছেন খালেদ আহমেদ

কেমন আছেন?

মন্দ বলব না। করোনা আতঙ্কের মধ্যে কাজ করেও যতটা সম্ভব ভালো থাকা যায়, সেই চেষ্টা করছি।

এবার ঈদে আপনার কী কী কাজ আসছে?

আরটিভিতে আসছে সাত পর্বের একটি ধারাবাহিক। ‘হৈ হৈ রৈ রৈ’ নামের এই নাটকে অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী ও তিশা। লকডাউনের আগেই কাজটি শুরু করেছিলাম, তখন শেষ করতে পারিনি, এখন বাকি শুটিং সম্পন্ন করেছি। এটি ঈদের দিন থেকে ঈদের সপ্তম দিন পর্যন্ত প্রতিদিন রাত ৮টায় প্রচারিত হবে।

আপনার ‘চরিত্র’ সিরিজের খবর কী?

হ্যাঁ, এবারও ‘চরিত্র :প্রেমিক’ নামের একটি সাত পর্ব দেখা যাবে বাংলাভিশনে। ঈদের দিন থেকে প্রতিদিন রাত ৯টা ৫৫ মিনিটে এটি প্রচারিত হবে। এতে অভিনয় করেছেন শবনম ফারিয়া, চঞ্চল চৌধুরী, শামীমা নাজনীন প্রমুখ।

করোনাকালে শুটিং করতে গিয়ে কোনো সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন?

আমি আমার ব্যক্তিগত শুটিং হাউজে কাজগুলো করেছি। ফলে ছোট টিম নিয়ে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে সর্বোচ্চ সচেতনতার মধ্য দিয়েই করা হয়েছে। এখানে শুটিং করতে এসে আর্টিস্ট অন্তত গণআতঙ্কের মধ্যে ছিলেন না—এটুকু বলতে পারি।

আপনার ইউটিউব চ্যানেলের খবর কী?

গত ঈদে ‘আমার মেয়ে নায়িকা’ নামের একটি সিরিজ দিয়ে ‘পার্বণ টিভি ফিকশন’র যাত্রা শুরু হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যেই চ্যানেলটির সার্বিক রেসপন্স খুবই ভালো। যদিও আমার আরো তিনটি চ্যানেল যথাক্রমে পার্বণ টিভি মিউজিক, পার্বণ টিভি রিসাইটেশন ও পার্বণ টিভি প্লাস শিগগির নতুন নতুন কন্টেন্ট নিয়ে দর্শকের সামনে আসবে।

পার্বণ টিভি ফিকশনের জন্য নতুন কোনো কাজ?

হ্যাঁ, এবার ঈদে আমার এই চ্যানেলে দর্শক দুটি এক ঘণ্টার নাটক দেখতে পাবেন। একটি ‘পাগল দ্য ইনোসেন্ট’ এবং অপরটির নাম ‘ছাগল দ্য ক্লেভার’।

টিভিতে আপনার দীর্ঘ ধারাবাহিক কবে আসবে?

দীর্ঘ ধারাবাহিক নিয়ে একটা বিরতিতে ছিলাম এটা সত্যি। এখন দুটি চ্যানেলের সঙ্গে কথা চলছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ঈদের পর কাজ শুরু করতে পারি।

আপনার দর্শকপ্রিয়তার প্রধান কারণ আপনি কী মনে করেন?

আমি ঠিক জানি না। সম্ভবত, মানুষ তার পরিচিত জগতটাকে শিল্পের ছোঁয়ায় দেখতে চান। এখন আর সস্তা ভাঁড়ামি কেউ পছন্দ করেন না। হয়তো, সমাজে ঘটে যাওয়া অসঙ্গতির বিপরীতে মানুষ তাদের প্রতিবাদের ভাষাটি আমার নাটকে খুঁজে পান।