স্বাস্থ্যবিধি মেনেই অনুশীলন করছি

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২০, ২২:০৮

সিরাত জাহান মৌসুমী

 স্পোর্টস রিপোর্টার

জাতীয় দলের নারী ফুটবলাররা ছিলেন একটা শৃঙ্খলাবদ্ধ জীবনে। দেশ বিদেশে এএফসি ফিফার ম্যাচ খেলা, অনুশীলন, লেখাপড়া নিয়েই ছিল তাদের দৈনন্দিন জীবন। পরিবারের লোকজন বাবা মা ক্যাম্পে গিয়ে দেখা করতেন। খেলোয়াড়রা যেসব সুযোগ-সুবিধা পেতেন সেগুলো বাবা মা বাসায় নিয়ে যেতেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খেলোয়াড়দের ১০ লাখ করে টাকা দিয়েছেন। এসব ফুটবলার এখন করোনার কারণে ঘরবন্দি। কোচ গোলাম রাব্বানী ছোটন ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে তালিম দিচ্ছেন। তারপরও এই তালিম যথেষ্ট না হলেও খেলোয়াড়রা আন্তরিকতা দিয়ে নিজেদের ফিট রাখতে চেষ্টা করছেন।

মিসরাত জাহান মৌসুমী সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, বাড়িতে ফিটনেস ধরে রাখাটা খুব কঠিন কারণ এখানে ব্যায়াম করার মতো পর্যাপ্ত জায়গা নেই। কোনো জিম নেই, সরঞ্জামও নেই। তবে আমাদের কোচের নির্দেশনা অনুযায়ী ডায়নামিক স্ট্রেচিং, কোর এক্সারসাইজগুলো করে নিজেকে ফিট রাখার চেষ্টা করছি। কখনো কখনো জিমে গিয়ে ট্রেডমিল করি, সাইক্লিং করি।’ মৌসুমী বললেন, আমাদের কোচরা যেভাবে নির্দেশনা দিচ্ছে সেভাবে করার চেষ্টা করছি। তারাও সব সময় আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে যাচ্ছেন।’

বাংলাদেশের মহিলা দলের জন্য একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ আছে। যেখানে সব খেলোয়াড় এবং কোচিং স্টাফ, হেড কোচ গোলাম রাব্বানী ছোটন, সহকারী কোচ মাহবুবুর রহমান লিটু, দুই মহিলা কোচ অনন্যা এবং সুইনু মার্মা এই গ্রুপের সদস্য। যেখানে বাফুফের কর্মকর্তারা রয়েছেন। তারাও পর্যবেক্ষণ করছেন। মৌসুমী বললেন, ‘হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে আমরা সপ্তাহে দুই-তিনবার সবার সঙ্গে আলোচনা করি। পাশাপাশি প্রতিদিনের কাজগুলো রিপোর্ট করি। সেই সঙ্গে স্বাস্থ্যব্যবস্থা মেনেই অনুশীলন করছি।’