স্পোর্টস ডেস্ক
করোনার ছোবল কাটিয়ে ইংল্যান্ডে ফুটবল-ক্রিকেট মাঠে ফিরেছে বেশ কিছুদিন হলো। সম্প্রতি দর্শকও মাঠে ফেরানোর তোড়জোড় চলছে দেশটিতে। তবে সেদেশের সরকারের সিনিয়র এক উপদেষ্টা জেমস ক্যাল্ডার জানিয়েছেন, এতকিছুর পরেও আসছে ফুটবল মৌসুমে পূর্ণ গ্যালারির দেখা না মেলার শঙ্কাই প্রবল।
নতুন নির্দেশনাকে পরখ করে দেখতে চলতি মাসে নির্দিষ্ট কিছু ইভেন্টে ‘সীমিতসংখ্যক’ দর্শকদের মাঠে আসার অনুমতি দিয়েছে দেশটির সরকার। গেল রবিবার সারে আর মিডলসেক্সের মধ্যকার এক প্রীতি ম্যাচে ১ হাজার দর্শককে অনুমতি দেওয়া হয়। দর্শকরা যেতে পারবেন চলতি সপ্তাহে অনুষ্ঠেয় বিশ্ব স্নুকার চ্যাম্পিয়নশিপ আর গুডউড ঘৌড়দৌড় উত্সবেও। এসব ইভেন্টের ‘পরীক্ষা’ সফল হলে তবেই আগামী অক্টোবরের দিকে স্টেডিয়ামের গ্যালারিগুলো সীমিত আকারে উন্মুক্ত করে দেওয়ার কথা। তবে সরকার ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে খেলাধুলা বিষয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে জেমস জানালেন, পূর্ণ গ্যালারির দেখা মিলছে না খুব তাড়াতাড়ি! ইংলিশ সিনিয়র উপদেষ্টার ভাষ্য, ‘এ বছরই যদি আমরা গ্যালারিভরা দর্শককে মাঠে আসতে বলতে পারি, তবে আমি অবাকই হব।’ আগামী ২০২০-২১ মৌসুমের প্রিমিয়ার লিগে তাই আংশিক পূর্ণ গ্যালারিই হবে নিয়তি, ‘বাস্তবতার নিরিখে আমরা আগামী বছরের কথা মাথায় রেখে কাজ করব, সম্ভবত মৌসুমের বাকি সময়ের জন্যেও!’
দর্শকদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ আর স্লোগানে গলা মেলানোর জন্য মুখ খুলতে হয়, যার কারণে ভাইরাস ছড়ানোর শঙ্কা বেড়ে যায় বহুগুণে। আর তাই নতুন মৌসুমেও খালি গ্যালারির কথা ভাবছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তবে ভরা গ্যালারির দেখা মিলবে কবে? ক্যাল্ডারের উত্তর, ‘বাস্তবসম্মতভাবে দেখলে আমি মনে করি, প্রচুরসংখ্যক প্রতিষেধক আর তার ব্যবহার হলে তবেই আমরা ধারণক্ষমতার সমান দর্শক মাঠে দেখতে পাব।’
