দৌলতদিয়া ঘাটে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২০, ২০:২১

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ স্বজনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে ফিরছে বাড়িতে। ঈদের ছুটিতে রাজধানীসহ তার আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে আশা শ্রমজীবী মানুষের ঢল নেমেছে দৌলতদিয়া ঘাটে। করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি মাথায় নিয়ে পাটুরিয়া ফেরি ঘাট থেকে প্রতিটা ফেরি উপচে পড়া ভিড় নিয়ে দৌলতদিয়া ঘাটে আসছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই সাধারণ যাত্রীদের ভির দেখা যায়, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ যাত্রীর ভিড় জন সমুদ্রে পরিনত হয়। তবে ফেরি ঘাটে এসে কোন ভোগান্তি ছাড়াই যার যার গন্তব্যে যেতে পারছেন যাত্রীরা। এছাড়া দৌলতদিয়া প্রান্তে ঢাকা মুখি যানবাহনের তেমন সিরিয়াল না থাকায় সরাসরি যানবাহনগুলো ফেরিতে উঠতে পারছে।

এ দিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘাট এলাকায় র‌্যাব, পুলিশ, আনসারসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টহলে রয়েছে। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ রুটে যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে ১৭টি ফেরি ও ২২টি লঞ্চ চলাচল করছে।

সরেজমিনে দৌলতদিয়া ঘাটে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ঘরমুখী শ্রমজীবী মানুষের উপচে পড়া ভিড়, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এ ভিড় জনসমুদ্রে পরিণত হয়। করোনার ঝুঁকি মাথায় নিয়ে এই ঈদে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ঘরমুখো মানুষ ফিরতে শুরু করেছে। বিভিন্ন জেলার মানুষগুলো মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ায় এসে গাদাগাদি করে নৌপথ দিয়ে ফেরি-লঞ্চ ও ট্রলারে করে নদী পার হয়ে দৌলতদিয়া ঘাটে এসে নামছে। কোন ভাবেই মানা সম্ভব হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া সহকারী ঘাট ব্যবস্থাপক মোঃ মাহবুুব হোসেন বলেন দৌলতদিয়া পয়েন্টে মোট ৬টি ঘাটের দুটি বন্ধ আছে। অন্য ৪টি ঘাট সচল রয়েছে। এই নৌপথে বর্তমান ছোট-বড় ১৭টি ফেরি রয়েছে।

গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশিকুর রহমান জানান, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে ঘরমুখী যাত্রীদের ভীড় বেড়েছে, তাদের নিরাপত্তার জন্য সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি এবং আমাদের এ কর্মকাণ্ড অব্যহত থাকবে।

গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আমিনুল ইসলাম জানান, দৌলতদিয়া ঘাট দিয়ে চলাচলরত যাত্রীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রতিনিয়ত মাইকিং ও দৃশ্যমান স্থানে নির্দেশিকা টাঙিয়ে দেয়া হয়েছে। এছাড়া এ ব্যাপারে ঘাট এলাকায় একাধিক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করে যাচ্ছেন।

ইত্তেফাক/আরকেজি