ধারাবাহিকভাবে কমতে শুরু করেছে গাইবান্ধার নদ-নদীর পানি। বৃহস্পতিবারও গাইবান্ধার সবগুলো নদ-নদীর পানি কমেছে। তবে ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদীর পানি এখনও বিপদসীমার অনেক ওপরে। করতোয়া ও তিস্তার রয়েছে বিপদসীমার নিচে রয়েছে। পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা, ফুলছড়ি ও গাইবান্ধা সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয়েছে নদী ভাঙন।
গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোখলেছুর রহমান বলেন, গত চব্বিশ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ১৪ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ৩৮ সেন্টিমিটার ওপরে এবং ঘাঘট নদীর পানি ৯ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ২৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অপরদিকে করতোয়ার পানি ২৪ ঘন্টায় ১১ সেন্টিমিটার এবং তিস্তার পানি ১ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়েছে।
আরও পড়ুন: প্রথম দিন রিপোর্ট ‘পজিটিভ’ পরের দিন ‘নেগেটিভ’
গাইবান্ধা সদর উপজেলার মোল্লারচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল হাই মণ্ডল জানান, গত এক সপ্তাহে তার ইউনিয়নের বাজে চিথুলিয়া ও চিথুলিয়া দিগর মৌজা দুটির দুইশ পরিবার নদী ভাঙনে গৃহহারা হয়েছে। মাসব্যাপী এই বন্যায় ইউনিয়নের ৬৫৬টি পরিবার নদী ভাঙনে গৃহহারা হয়ে সর্বশান্ত হয়ে পড়েছেন।
গাইবান্ধা জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা একেএম ইদ্রিস আলী জানান, ছয়টি উপজেলায় বন্যার্তদের জন্য নতুন করে আরও ৯০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যা ইতিমধ্যে বিতরণের কাজ শুরু হয়েছে। এ নিয়ে বন্যার্তদের জন্য মোট ৬০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হলো।
ইত্তেফাক/এসি
