আসবাবপত্র রপ্তানি বেড়েছে ৪০ শতাংশ

আপডেট : ০৬ জানুয়ারি ২০১৯, ২১:২৭

বাংলাদেশ থেকে আসবাব রপ্তানি ক্রমেই বাড়ছে। দেশের বাইরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বাংলাদেশে তৈরি আসবাবপত্র বা গৃহস্থালী পণ্য। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে অর্থাত্ জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়কালে ৩ কোটি ৩৭ লাখ ডলার মূল্যের আসবাবপত্র রপ্তানি হয়েছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৪০ দশমিক ৫৬ শতাংশ বেশি। ফলে বিশ্ববাজারে ক্রমেই এগিয়ে যাচ্ছে দেশীয় আসবাবপত্র তৈরির প্রতিষ্ঠান। গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশ থেকে ২ কোটি ৩৯ লাখ ডলারের আসবাবপত্র রপ্তানি হয়েছিল। চলতি অর্থবছরের ছয় মাসে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ কোটি ৩৭ লাখ ডলার। সেই হিসেবে লক্ষ্যমাত্রার পুরোটাই অর্জিত হয়েছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য মতে, বিগত অর্থবছরে আসবাবপত্র রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬ কোটি ১০ লাখ ডলার। এর বিপরীতে রপ্তানি আয় ছিল ৬ কোটি ৩১ লাখ ডলারের। সুতরাং লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ২১ লাখ ডলারের বেশি রপ্তানি আয় এসেছে।

রপ্তানি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ ও গুণগতমান উন্নয়ন এবং ডিজাইনে প্রতিনিয়ত নতুনত্ব আনায় বাংলাদেশের আসবাবপত্রের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। তৈরি পোশাকের বাইরে চামড়া, পাট, ওষুধ শিল্পের পাশাপাশি আসবাবপত্র রপ্তানির সম্ভাবনা বাড়ছে। তাছাড়া দেশের আসবাবপত্র শিল্পকে স্থায়ী রপ্তানি পণ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আসবাবপত্র রপ্তানিতে দেওয়া হচ্ছে ১৫ শতাংশ নগদ সহায়তা। নতুন বাজার সৃষ্টির উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। ইপিবির কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশে তৈরি আসবাবপত্র মূলত মধ্যপ্রাচ্যের দেশ-গুলোতে রপ্তানি হচ্ছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, রাশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশে রপ্তানি শুরু হয়েছে।