তারুণ্যের জয় দেখছে আয়ারল্যান্ড

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০২০, ২১:০৪

স্পোর্টস রিপোর্টার

এই ইংল্যান্ডকেই বিশ্বকাপে বড় রান তাড়া করে হারিয়েছিল আইরিশরা। আরেকবার সেই স্মৃতি ফেরাল তারা ইংল্যান্ডের মাটিতেই। এবার জয়ের পর অধিনায়ক অ্যান্ড্রু বালবার্নি বলছেন, এটা তারুণ্যের জয়। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে ৭ উইকেটে জিতেছে সফরকারীরা। ১ বল বাকি থাকতে ইংল্যান্ডের ৩২৮ রান ছাড়িয়ে গড়েছে রেকর্ড। আগের রেকর্ড ছিল ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই। ২০১১ বিশ্বকাপে জিতেছিল ৩২৭ রান তাড়া করে। এবারের মতো সেবারও ৩২৯ রান করেছিল আয়ারল্যান্ড।  

প্রথম দুই ম্যাচে জেতা ইংল্যান্ড সিরিজ জিতেছে ২-১ ব্যবধানে। রান তাড়ায় শুরুতেই আয়ারল্যান্ডকে ভালো শুরু এনে দেন স্টার্লিং। স্টার্লিংয়ের মতোই আগের দুই ম্যাচে সংগ্রাম করা বালবার্নি এদিন শুরু থেকেই ছিলেন সাবলীল। তিনিও বোলারদের ওপর চড়াও হলে দ্রুত এগোতে থাকে আয়ারল্যান্ড।

৫২ বলে ৫০ করেন স্টার্লিং, বালবার্নির লাগে ৪৩ বল। জুটির ১০০ হয় কেবল ৮৮ বলে। ৯৬ বলে ক্যারিয়ারের নবম সেঞ্চুরিতে পৌঁছান স্টার্লিং। ষষ্ঠ সেঞ্চুরির দেখা পেতে আইরিশ অধিনায়কের লাগে ১০০ বল। ১৮৩ বলে ২০০ ছুঁয়ে আরো এগিয়ে যাচ্ছিলেন স্টার্লিং-বালবার্নি।

১২৮ বলে ৬ ছক্কা আর ৯ চারে ১৪২ রান করে ফিরেন স্টার্লিং। এরপর বেশিক্ষণ টিকেননি বালবার্নি। ১২ চারে ১১২ বলে ১১৩ রান করে বিদায় নেন সফরকারী অধিনায়ক। শেষ ৫ ওভারে ৪৪ রানের সমীকরণ মিলিয়ে ওয়ানডে সুপারলিগে দলকে পয়েন্ট এনে দেন হ্যারি টেক্টর ও কেভিন ও’ব্রায়েন। ২৬ বলে ২৯ রানে অপরাজিত থাকেন টেক্টর। একটি করে ছক্কা ও চারে ও’ব্রায়েন করেন ২১ রান।

এর আগে এউইন মরগ্যানের সেঞ্চুরি এবং ব্যান্টন ও উইলির ফিফটিতে ভালো স্কোর করে ইংলিশরা। আয়ারল্যান্ডের রেকর্ড গড়া জয়ে সবচেয়ে বড় অবদান রাখা স্টার্লিং জেতেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার। অলরাউন্ড নৈপুণ্যে সিরিজ সেরার পুরস্কার জেতেন উইলি।

ম্যাচশেষে আয়ারল্যান্ড অধিনায়ক বালবার্নি বলেছেন, ‘এটা বিরাট একটা জয়। বিশেষ করে যেসব তরুণ ক্রিকেটার আজ এই জয়ে সম্পৃক্ত ছিল, তাদের জন্য এটা বড় ব্যাপার। তারা এটা সারাজীবন মনে রাখবে। এটা তারুণ্যের একটা জয়। ওয়ানডে সুপারলিগে এভাবে একটা জয় পাওয়াটা আমাদের জন্য বড় ব্যাপার।’