আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানকে গুলি করে হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেউ কেউ সরকার হটানোর দিবাস্বপ্ন দেখছেন। গতকাল শুক্রবার সকালে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের খুলনা সড়ক জোন, বিআরটিএ ও বিআরটিসির কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন। ওবায়দুল কাদের নিয়মিত আলোচনার অংশ হিসেবে তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে মতবিনিময় সভায় যুক্ত হয়ে আরো বলেন, ‘একটি অশুভ চক্র নানা ইস্যুতে গুজব রটনা ও অপপ্রচারে লিপ্ত। সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের মর্মান্তিক ঘটনাকে ঘিরে কেউ কেউ দুই বাহিনীর মধ্যে উসকানি দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। জনগণ এসব বিষয়ে সচেতন রয়েছে।’
গুজব ও অপপ্রচার বন্ধে দেশ-বিদেশে সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমি গুজব রটনা এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার বন্ধে দেশ-বিদেশে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার অনুরোধ করছি। শেখ হাসিনার সরকার কারো হাতে ইস্যু তুলে দেবে না। তাত্ক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে বিষয়টি সুরাহা করা হয়েছে। শেখ হাসিনার সরকারের শেকড় এ দেশের মাটির অনেক গভীরে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, গুজব রটিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে কোনো লাভ হবে না।
মানুষকে মাস্ক পরার বিষয়ে সচেতন করতে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে আরো উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ঈদের সময় টার্মিনাল এবং পরিবহনে কেউ কেউ মানলেও অনেকেই স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা করেননি। তবে এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তির হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘ফেরিঘাটের সমস্যা এবং ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ছাড়া অন্যান্য সকল মহাসড়কে ভ্রমণ স্বস্তিদায়ক ছিল।
আদালত খুলে দেওয়া প্রসঙ্গে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, জনস্বার্থ এবং বিচারপ্রার্থীদের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে নিম্ন আদালতে বিচারকাজ শুরু হয়েছে। বিচারালয় স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনসহ মাস্ক পরিধান বাধ্যতামূলক করতে আইন মন্ত্রণালয় এবং বিচার বিভাগের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
