টানা প্রায় চার মাস চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল করছে না। বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাস সংক্রমণে সৃষ্ট মহামারি পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলো গত ২৬ মার্চ থেকে বন্ধ হয়ে যায়। মে মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে শাহ আমানত বিমানবন্দরে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটগুলো পুনরায় চলাচল করতে শুরু করে। জুনের প্রথম সপ্তাহ থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচলের জন্য চট্টগ্রাম বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করে। কিন্তু বিশ্ব পরিস্থিতি অনুকূল না হওয়ায় গত দুই মাসেও এই বিমানবন্দর দিয়ে কোনো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল করেনি। তবে চট্টগ্রামের মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রীরা চট্টগ্রাম বিমানবন্দর দিয়ে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের ফ্লাইট ধরছেন।
চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক উইং কমান্ডার সরোয়ার-ই-জামান ইত্তেফাককে বলেন, বর্তমানে ঢাকা থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুইটি গন্তব্য যথাক্রমে দুবাই ও আবুধাবিতে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল করছে। চট্টগ্রামের মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রীরা চট্টগ্রামে তাদের করোনা টেস্টসংক্রান্ত আবশ্যকীয় কার্যক্রম শেষ করে এখান থেকে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ঢাকা গিয়ে আন্তর্জাতিক রুটের বিমানে উঠছেন। তিনি জানান, চট্টগ্রাম বিমানবন্দর দিয়ে বর্তমানে রাষ্ট্রীয় সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, বেসরকারি সংস্থা নভো এয়ার ও ইউএস বাংলাসহ মোট তিনটি সংস্থার অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পুরোদমে চলাচল করছে। কাজেই ঢাকা যেতে বিদেশগামী যাত্রীদের কোনো ধরনের অসুবিধা হচ্ছে না। আরেকটি বেসরকারি সংস্থা রিজেন্ট এয়ারওয়েজের কোনো বিমানই এখন চলাচল করছে না।
উইং কমান্ডার সরোয়ার-ই-জামান ইত্তেফাককে আরো বলেন, সব ধরনের বিমান চলাচল, যাত্রীদের নিরাপত্তা বিধান, করোনা শনাক্ত ও প্রতিরোধসংক্রান্ত প্রস্তুতি চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রাখা হয়েছে। কাজেই যে কানো সময় আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলো চট্টগ্রাম বিমানবন্দর ব্যবহার করতে পারে।
