বাংলা বানানের নিয়মকানুন

আপডেট : ১১ আগস্ট ২০২০, ২০:২৪

শুদ্ধিকরণ

 

বিরামচিহ্ন বা যতিচিহ্ন বা ছেদচিহ্ন-এর ব্যবহার

ড্যাশ (—)

নাম : ড্যাশ

চিহ্ন : (—)

বাক্যে অবস্থান : পূর্বে ও মধ্যে

বিরতিকাল : ১ (এক) সেকেন্ড কাল পরিমাণ।

ফাঁক (space) : আগে ও পরে ফাঁক থাকবে না।

 

ব্যবহারের নিয়ম :

১. ড্যাশ-চিহ্ন দিয়ে পাশাপাশি দুই বা ততোধিক খণ্ড বাক্য জোড়া লাগানো হয়।

যেমন : হঠাত্ মুহূর্তের জন্য—কী কারণে বুঝলাম না—আমাদেরও একটু যেন মন খারাপ হলো।

২. বাক্যের শেষে অসম্পূর্ণ রাখতে চাইলে ড্যাশ-চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।

যেমন : আমার সোনার বাংলা, আমি—।

৩. সংলাপ বা কথোপকথনের শুরুতে ড্যাশ-চিহ্ন বসে। যেমন :

—কেমন আছো ?

—ভালো আছি।

[বর্তমানে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ড্যাশের জায়গা দখল করে নিয়েছে কোলন বা সেমিকোলন।]

অশুদ্ধ : তুমি সেখানে যাও — এতক্ষণে সে চলে গেছে।

শুদ্ধ : তুমি সেখানে যাও—এতক্ষণে সে চলে গেছে।

উল্লেখ্য, স্মার্টফোনে অভ্র দিয়ে ড্যাশ (—) লেখার জন্য হাইফেন (-)-এর ওপর চেপে ধরলে ড্যাশ (—)-এর অপশন চলে আসে।

সতর্কতা : এখনও অনেকে ড্যাশ (—)-এর পরিবর্তে হাইফেন (-) অথবা ৩টি হাইফেন (—-) ব্যবহার করেন। মনে রাখা প্রয়োজন, ড্যাশ (—) ও হাইফেন (-)-এর প্রয়োগবিধি ভিন্ন।

 

হাইফেন (-)

নাম : হাইফেন

চিহ্ন : (-)

বাক্যে অবস্থান : মধ্যে

বিরতিকাল : প্রয়োজন নেই।

ফাঁক (space) : আগে ও পরে ফাঁক থাকবে না।

ব্যবহারের নিয়ম :

১. হাইফেন চিহ্ন দিয়ে পাশাপাশি দুই বা ততোধিক শব্দকে জোড়া লাগানো হয়।

যেমন : উত্তর-পশ্চিম কোণে ঝড়ের কালো মেঘ দেখা যাচ্ছে।

২. সমাসবদ্ধ পদের সব সমস্যমান পদের অর্থ প্রাধান্য পেলে, তাদের মধ্যে হাইফেন বসে।

যেমন : মা-বাবা, ভাই-বোন ইত্যাদি।