শুদ্ধিকরণ
বিরামচিহ্ন বা যতিচিহ্ন বা ছেদচিহ্ন-এর ব্যবহার
ড্যাশ (—)
নাম : ড্যাশ
চিহ্ন : (—)
বাক্যে অবস্থান : পূর্বে ও মধ্যে
বিরতিকাল : ১ (এক) সেকেন্ড কাল পরিমাণ।
ফাঁক (space) : আগে ও পরে ফাঁক থাকবে না।
ব্যবহারের নিয়ম :
১. ড্যাশ-চিহ্ন দিয়ে পাশাপাশি দুই বা ততোধিক খণ্ড বাক্য জোড়া লাগানো হয়।
যেমন : হঠাত্ মুহূর্তের জন্য—কী কারণে বুঝলাম না—আমাদেরও একটু যেন মন খারাপ হলো।
২. বাক্যের শেষে অসম্পূর্ণ রাখতে চাইলে ড্যাশ-চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
যেমন : আমার সোনার বাংলা, আমি—।
৩. সংলাপ বা কথোপকথনের শুরুতে ড্যাশ-চিহ্ন বসে। যেমন :
—কেমন আছো ?
—ভালো আছি।
[বর্তমানে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ড্যাশের জায়গা দখল করে নিয়েছে কোলন বা সেমিকোলন।]
অশুদ্ধ : তুমি সেখানে যাও — এতক্ষণে সে চলে গেছে।
শুদ্ধ : তুমি সেখানে যাও—এতক্ষণে সে চলে গেছে।
উল্লেখ্য, স্মার্টফোনে অভ্র দিয়ে ড্যাশ (—) লেখার জন্য হাইফেন (-)-এর ওপর চেপে ধরলে ড্যাশ (—)-এর অপশন চলে আসে।
সতর্কতা : এখনও অনেকে ড্যাশ (—)-এর পরিবর্তে হাইফেন (-) অথবা ৩টি হাইফেন (—-) ব্যবহার করেন। মনে রাখা প্রয়োজন, ড্যাশ (—) ও হাইফেন (-)-এর প্রয়োগবিধি ভিন্ন।
হাইফেন (-)
নাম : হাইফেন
চিহ্ন : (-)
বাক্যে অবস্থান : মধ্যে
বিরতিকাল : প্রয়োজন নেই।
ফাঁক (space) : আগে ও পরে ফাঁক থাকবে না।
ব্যবহারের নিয়ম :
১. হাইফেন চিহ্ন দিয়ে পাশাপাশি দুই বা ততোধিক শব্দকে জোড়া লাগানো হয়।
যেমন : উত্তর-পশ্চিম কোণে ঝড়ের কালো মেঘ দেখা যাচ্ছে।
২. সমাসবদ্ধ পদের সব সমস্যমান পদের অর্থ প্রাধান্য পেলে, তাদের মধ্যে হাইফেন বসে।
যেমন : মা-বাবা, ভাই-বোন ইত্যাদি।
