খালেদ-শুভাগতর দ্বিমুখী ভাবনা

আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০১৯, ২১:১৪

বাংলাদেশকে যেমন বাইরের দেশের ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা বলেন, স্পিনারদের জন্মভূমি। এখানে ঝাঁকে ঝাঁকে নতুন স্পিনার তৈরি হয়। কিন্তু সে তুলনায় নতুন নতুন পেস বোলার পাওয়াটা এখানে দারুণ কঠিন ব্যাপার। উইকেট, কন্ডিশন মিলিয়ে তরুণরা ফাস্ট বোলিংয়ে খুব একটা আসতে চান না। যারা আসেন, তারাও খুব আশার আলো দেখাতে পারেন না।

এ জায়গাটায় ব্যতিক্রম খালেদ আহমেদ। মাত্র তিন বছর আগে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলা শুরু করেছেন। এরই মধ্যে টেস্ট অভিষেকও হয়ে গেছে তার। খালেদের মধ্যে ভবিষ্যত্ দেখতে পাচ্ছেন বাংলাদেশের কোচ থেকে শুরু করে অনেকেই। আর খালেদ নিজের সেই ভবিষ্যতের জন্য এবারের বিপিএলকে বড় একটা ধাপ মনে করছেন।

এবার বিপিএলে নিয়মিত ভালো পারফরম করতে পারলে জাতীয় দলের সীমিত ওভারের ফরম্যাটের দলেও তার জায়গা হতে পারে। সে কথাটা পরিষ্কার না বললেও খালেদ স্বীকার করে নিলেন, এবার বিপিএল তার জন্য একটা বড় পরীক্ষা, ‘আমি এখন মাত্র শুরু করেছি। অনেকেই আমার দিকে তাকিয়ে থাকবে। দলও আমার কাছে ভালো পারফরম্যান্স চাইবে। আমার নিজের জন্য এবারের বিপিএলটা বেশ বড় একটা চ্যালেঞ্জ।’

চিটাগং ভাইকিংসের এ বোলার বলছেন, বিপিএলে তার চেষ্টা থাকবে, প্রতি ম্যাচে আগের ম্যাচের চেয়ে ভালো করা। যেমন পরের ম্যাচের জন্য তিনি নিজের একটা লক্ষ্য ঠিক করে ফেলেছেন, ‘শেষ ম্যাচে যেমন বোলিং করেছি, আমি চাইব আগামীতে এর চেয়ে আরও ভালো বোলিং করতে। ৪ ওভারে ১৫ রান দিয়েছি, চাইব আরও ভালো বোলিং করে ইকোনমিটা আরও কমিয়ে আনতে।’

খালেদের বিপরীত মেরুতে অবস্থান করছেন শুভাগত হোম। ঘরোয়া ক্রিকেটের খুব নিয়মিত এ পারফরমার জাতীয় দলে সুযোগও পেয়েছেন এক সময় অনেক। কিন্তু সেভাবে কিছুতেই নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। এখন পারফরম করলেও জাতীয় দল নিয়ে আর তাই খুব একটা ভাবেন না। গতকাল বলছিলেন, ‘সেটা (জাতীয় দল) নিয়ে এখন কিছু বলতে চাই না। আমি চেষ্টা করেছি যখন যেখানে খেলার সুযোগ পাই নিজের সেরাটা দেয়ার।’

শুভাগতর আবার জাতীয় দলের প্রসঙ্গ এলো তার আগের ম্যাচের পারফরম্যান্সের কারণেই। ঢাকা ডায়নামাইটসের এ অলরাউন্ডার আগের ম্যাচে ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছিলেন। কিন্তু গতকাল বললেন, সেই ঝড়টা খুব পরিকল্পিত ছিল না, ‘আসলে আমি প্রান্ত পরিবর্তন করে রাসেলকে দিতে চেয়েছি। কিন্তু বল পেয়ে গেছি সে রকম, তাই হয়তো হয়ে গেছে। দিনটা হয়ত ভালো ছিল আমার জন্য।’