পাকিস্তানে ঋণ ও তেল সরবরাহ বন্ধ করেছে সৌদি আরব

আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০২০, ২০:৪৫

পাকিস্তানে ঋণ ও তেল সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে সৌদি আরব। মূলত:কাশ্মীর ইস্যুতে ওআইসি (ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা) ভারতের ওপর যথেষ্ট চাপ প্রয়োগ করছে না ইসলামাবাদের এমন অভিযোগের পর ঐ ঋণ ও তেল সরবরাহ বন্ধ করে দেয় রিয়াদ। সৌদি আরবের পক্ষ থেকে এ ধরনের একটি পদক্ষেপকে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের অবনতির একটি বড় ধরনের দিক বলে বিবেচনা করা হচ্ছে। মিডল ইস্ট মনিটর

কাশ্মীরের জনগণের সহযোগিতায় ওআইসির পক্ষে পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য সৌদি আরবকে চাপ দেওয়ার এক সপ্তাহ পরই রিয়াদের কাছ থেকে নেওয়া ১০০ কোটি ডলারের একটি ঋণ পরিশোধ করতে বাধ্য হয় ইসলামাবাদ। ২০১৮ সালের নভেম্বরে সৌদি আরব পাকিস্তানকে ৬২০ কোটি ডলারের যে ঋণ বরাদ্দ করে এটি তারই অংশ। প্যাকেজটিতে ৩০০ কোটি ডলার ঋণ এবং ৩২০ কোটি ডলারের ওয়েল ক্রেডিট ফ্যাসিলিটি অন্তর্ভুক্ত ছিল। ঐ বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের পাকিস্তানে সফরের সময় সেসব চুক্তি সই হয়। কাশ্মীর ইস্যুতে ওআইসির পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের একটি বিশেষ বৈঠক আয়োজনে ইসলামাবাদের অনুরোধ রিয়াদ প্রত্যখ্যান করার পর থেকে মিত্র দেশ দুটির সম্পর্কে ভাঙন শুরু হয়। কাশ্মীরকে সহযোগিতায় ওআইসি তার ভূমিকার ব্যবহার করুক; পাকিস্তানে এমন কথা বলে যেতে থাকে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি গত সপ্তাহে স্থানীয় নিউজ চ্যানেল এআরওয়াইকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে বলেন, ‘আমি আরো একবার সম্মানপূর্বক ওআইসিকে বলছি জোটভুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের একটি বৈঠক প্রত্যাশা করছি আমরা।’ তিনি এ নিয়ে সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেন।

মেহমুদ কুরেশি বলেন, আপনারা যদি এটার আহ্বান না করেন তাহলে আমি প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে ইসলামিক দেশগুলোকে নিয়ে একটি বৈঠক আহ্বানের অনুরোধ করব। কাশ্মীরের নির্যাতিত মানুষের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য যেসব দেশ প্রস্তুত রয়েছে।’