বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যের আর্কিটেক্ট ছিলেন জিয়া ----আইনমন্ত্রী

আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০২০, ০০:১৭

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। উনি বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সাত দিন পর চিফ অফ আর্মি, তিন মাস পর ডেপুটি চিফ মার্শাল ল এডমিনিস্ট্রেটর এবং ছয় মাস পর প্রেসিডেন্ট ও চিফ মার্শাল ল এডমিনিস্ট্রেটর হন। তার এই অগ্রগতি দেখলেই বুঝা যায় তিনি ছিলেন বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যের আর্কিটেক্ট। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক ভার্চুয়াল শোকসভায় আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি হয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের চপেটাঘাত দেওয়ার জন্য শাহ আজিজুর রহমানের মতো রাজাকারকে প্রধানমন্ত্রী ও শামসুল হককে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বানিয়েছিলেন। রাজাকার আব্দুল আলিমকে মন্ত্রী করেছিলেন। এসবের উদ্দেশ্য ছিল বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করা।

আইনমন্ত্রী বলেন, নিজামী-মুজাহিদকে খালেদা জিয়া মন্ত্রী বানিয়েছিলেন। শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী না হলে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার হতো না। তিনি ২০০৯ সালে পুনরায় প্রধানমন্ত্রী না হলে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার শেষ হতো না। যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার হতো না। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত ছয় জনকে আমরা ফাঁসি দিতে পেরেছি। বর্তমানে পাঁচ জন পলাতক রয়েছে। এদের মধ্যে দুই জনের অবস্থান জানা গেছে। বাকি তিন জনের অবস্থান নির্ণয়ের চেষ্টা চলছে। আমরা নিশ্চয়ই তাদের ফিরিয়ে আনব। তিনি আরো বলেন, ষড়যন্ত্র এখনো চলছে। ষড়যন্ত্র করার মানুষ এখনো আছে। আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশকে ধ্বংস করার জন্য তারা ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে।

যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুকের পরিচালনায় এ শোকসভায় বাংলাদেশ থেকে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বক্তব্য রাখেন। এছাড়া যুক্তরাজ্য থেকে প্রখ্যাত সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরী ও যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ বঙ্গবন্ধুর জীবন আলেখ্য নিয়ে সভায় বক্তব্য রাখেন।