করোনাকালে গর্ভবতী মা

আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০২০, ২০:২৩

করোনাকালে সবার স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকলেও গর্ভবতী নারীর স্বাস্থ্যঝুঁকি কয়েক গুণ

বেশি। এসময় কীভাবে নিজেদের এবং গর্ভেও শিশুটিকে সুরক্ষিত রাখতে পারে সে বিষয়ে ইন্টারন্যাশনাল কনফেডারেশন অব মিডওয়াইভসের সভাপতি ফ্রাঙ্কা ক্যাদি। জাতিসংঘের

নারী ও শিশুবিষয়ক তহবিল ইউনিসেফ ফ্রাঙ্কা ক্যাদির কথা নিয়ে বিস্তারিত

প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। যার ধারাবাহিক প্রতিবেদন—

২. এসময় হাসপাতাল কিংবা ক্লিনিক নাকি বাড়িতে

সন্তান জন্ম দেওয়া নিরাপদ

 

ক্যাদির মতে ‘গর্ভবতী মায়েদের উচিত এবিষয়ে অভিজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া। তিনি কোন স্থানকে সবচেয়ে নিরাপদ মনে করেন এবং এক অবস্থা থেকে আরেক অবস্থায় কী ধরনের পূর্ব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন সে বিষয়ে জানতে হবে। কারণ সব স্বাস্থ্যকেন্দ্রের অবস্থা এক নয়। এটি ঐ নির্দিষ্ট গর্ভবতী নারী, তার অবস্থা এবং স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে।

ক্যাদি বলেন, কিছু উচ্চ আয়ের দেশ, যেমন নেদারল্যান্ডস-এ যেমন ব্যবস্থা থাকবে অন্য নিম্ন আয়ের দেশে তেমন ব্যবস্থা থাকতে নাও পারে। নেদারল্যান্ডস-এ বাড়িতে সন্তান জন্ম  দেওয়ার একটি ব্যবস্থা রয়েছে, যে ব্যবস্থার মধ্যে বাড়িতে সন্তান জন্মদানের ব্যবস্থাটিও অন্তর্ভুক্ত। যা অনেক নিরাপদ। যার ফলে অনেক নারী বাসাতেই সন্তান জন্ম দেন। তবে বেশির ভাগ দেশের পরিস্থিতি এমন নয়। অনেক দেশে বাড়িতে সন্তান জন্ম দেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ। গর্ভাবস্থায় সব সময় এ বিষয়ে অভিজ্ঞজনের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে।

করোনা আক্রান্ত মা করোনা আক্রান্ত শিশুর জন্ম দেয় কি না, তা এখনো জানা যায়নি। এ বিষয় ক্যাদি বলেন, ‘ভ্যাজাইনাল ফ্লুইড, গর্ভনালী বা মায়ের বুকের দুধে কোভিড-১৯ ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি, যদিও এ বিষয়ে এখনো অনেক নতুন নতুন তথ্য আবিষ্কার হচ্ছে। ক্যাদি আরো জানান, এখন পর্যন্ত অ্যামনিওটিক ফ্লুইড বা গর্ভফুলেও কোভিড-১৯-এর উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।’

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে আপনি সর্বোত্তম যা করতে পারেন তা হচ্ছে— প্রয়োজনীয় পূর্ব সতর্কতামূলক সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা। তবে, আপনি গর্ভবতী হলে কোনোরকম অসুস্থতা বোধ করলে অবিলম্বে চিকিত্সকের কাছে যাওয়া উচিত। চিকিেকর পরামর্শগুলো সঠিকভাবে অনুসরণ করতে হবে।

সূত্র ও ছবি :ইন্টারনেট