মুরাদনগরে দাফনের সাড়ে তিন মাস পর কবর থেকে লাশ উত্তোলন

আপডেট : ১৪ নভেম্বর ২০১৮, ২১:৩৫

মুরাদনগর (কুমিল্লা) সংবাদদাতা

মুরাদনগর উপজেলা সদর ইউনিয়নের দিলালপুর গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বারের ছেলে আলম সরকারের মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে দাফনের তিন মাস ১৪ দিন পর আদালতের নির্দেশে কবর থেকে লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রায়হান মেহবুবের উপস্থিতিতে লাশ উত্তোলন করে সদর উপজেলার দিলালপুর কুমিল্লা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

মামলার অভিযোগ ও মৃত আলমের স্ত্রী সালমা আক্তার জানান, ১৪ বছর প্রবাস জীবনের সকল উপার্জন তার বড়ভাই আব্দুল বাতেনের ব্যাংক একাউন্টে পাঠায় আলম। বিদেশ থেকে ফিরে সেই টাকার হিসাব চাইলে দুই ভাইয়ের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়। পরে পৈতৃক জমি ভাগ বাটোয়ারা নিয়েও পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে আলম স্ত্রী ও চার কন্যা সন্তান নিয়ে আলাদা বসবাস করছিলেন এবং জীবিকার তাগিদে স্থানীয় বাজারে একটি চায়ের দোকান দেন। গত ৩০ জুলাই সকালে স্ত্রী সালমা আক্তার দোকানে গিয়ে স্বামীর লাশ দেখতে পায়। তার পাশে ছেঁড়া বালিশ শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখে সালমা মনে করেন, স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় সালমা আক্তার ভাসুর আবদুল বাতেন ও তার দুই ছেলে হাসান এবং মামুনের নামে কুমিল্লা আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন। স্ত্রী লাশ উত্তোলনপূর্বক ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লার ৮নং আমলী আদালতে আবেদন করেন। আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ইফরানুর রহমান চৌধুরী লাশ উত্তোলনপূর্বক ময়না তদন্তের নির্দেশ প্রদান করেন এবং রহস্য উদঘাটনের জন্য কুমিল্লা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) দায়িত্ব দেওয়া হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পুলিশের উপ-সহকারী বেলাল আহমেদ বলেন, ময়না তদন্তের জন্য লাশ উত্তোলন করেছি। রিপোর্টের আলোকেই পরবর্তী কর্মসূচি নেব।