সম্প্রতি অধিদপ্তরের জনবল বৃদ্ধির এক বিজ্ঞপ্তিতে ৩২ জন ফরেস্টার নিয়োগের তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী উল্লিখিত পদে আবেদনের জন্য প্রার্থীদের থাকতে হবে বিভিন্ন যোগ্যতা।
আবেদনকারীর যোগ্যতা
আগ্রহী প্রার্থীকে স্বীকৃত বোর্ড থেকে ডিপ্লোমা-ইন-ফরেস্ট্রি ডিগ্রি থাকতে হবে, উচ্চতা হতে হবে ১৬৩ সেন্টিমিটার; বুকের মাপ ৭৬ সেন্টিমিটার।
যারা আবেদন করতে পারবেন না
মানিকগঞ্জ, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, টাঙ্গাইল, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, রাঙামাটি, কুমিল্লা, বাগেরহাট, বরিশাল, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, জয়পুরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলার প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন না।
প্রার্থীদের বয়স
২০২০ সালের পহেলা মার্চে আবেদনকারীর বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে। মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৩২।
প্রস্তুতি যেমন হবে
যেকোনো পরীক্ষার কার্যকর প্রস্তুতির জন্য বিগত সালের প্রশ্নগুলো বিশ্লেষণ করা জরুরি। বিগত সালের প্রশ্ন বিশ্লেষণ করলে পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের ধরন সম্পর্কে জানা যায়। আর পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের ধরন সম্পর্কে যত ভালো জানা যাবে প্রস্তুতি নিতে তত সহজ হবে। কৌশলী হওয়া যাবে।
গণিতে প্রস্তুতি
গণিতে দক্ষ হওয়ার জন্য নিয়মিত বুঝে বুঝে অনুশীলন করার কোনো বিকল্প নেই। যাদের গণিতে দক্ষতা কম, তারা সপ্তম থেকে দশম শ্রেণির বোর্ডের গণিত বইটা অনুশীলন করতে পারেন।
ইংরেজিতেও গুরুত্ব দিন
অনেকেই আছেন, যারা ইংরেজিকে ‘যমের মতো’ ভয় পান! তারা যদি এ পরীক্ষায় ইংরেজিকে পাশ কাটিয়ে সফল হতে চান, তাহলে সে প্রচেষ্টা ব্যর্থ হতে পারে।
সাধারণ জ্ঞান
সাধারণ জ্ঞান বিষয়টা সাধারণই। নিয়মিত পত্রিকা মনোযোগ দিয়ে পড়লে এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদ শুনলে সাধারণ জ্ঞানের অনেকটা প্রস্তুতি হয়ে যায়। এ ছাড়া বাজারের প্রচলিত ভালো মানের গাইড বই থেকে স্থায়ী সাধারণ জ্ঞানের বিষয়গুলো পড়তে পারেন।
বাড়তি কৌশল
বিগত সালের প্রশ্নগুলো বিশ্লেষণ করার পর বোঝা যাবে, কোন পদের জন্য কোন কোন সাবজেক্ট থেকে প্রশ্ন আসে। কোন কোন টপিকস থেকে প্রশ্ন নিয়মিত আসে, সেগুলো নির্ধারণ করে নোট খাতায় লিখতে হবে। তারপর টপিক ধরে ধরে প্রস্তুতি নিতে হবে।
