টঙ্গী (গাজীপুর) সংবাদদাতা
টঙ্গীতে যানজটে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন পরিবহন যাত্রীরা। ট্র্যাফিক পুলিশের সমন্বয়হীনতার কারণে প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে এই যানজটের সৃষ্টি হয়। সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল থেকে ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী স্টেশন রোডে ট্র্যাফিক পুলিশের মাত্র দুই জন সদস্য যানজট নিয়ন্ত্রণে দায়িত্ব পালন করেন। টঙ্গী বাজার এলাকা যানজট পয়েন্ট হলেও সেখানে নেই ট্র্যাফিক পুলিশ। আনারকলি এলাকায় একজন ট্র্যাফিক পুলিশ সদস্য দিয়ে যানজট নিরসনরে চেষ্টা করা হয়। ফলে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত আব্দুল্লাহপুর থেকে টঙ্গী চেরাগআলী পর্যন্ত ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়করে দুই পাশেই লেগে থাকে যানজট। অনেক সময় যানজট নিরসনে ট্র্যাফিক পুলিশের পাশাপাশি থানাপুলিশকেও সহযোগিতা করতে দেখা যায়। একদিকে পরিবহন যানজট, অন্যদিকে ধুলাবালিতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছে এই সড়কে চলাচলরত যাত্রী ও পথচারীরা।
থানা সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যানজটের কারণে এলাকার অলিগলিতেও যানজটের সৃষ্টি হয়। এ সময় ডিউটিরত পুলিশ সদস্যদের যানজট নিরসনে সড়কে কাজ করতে বাধ্য করা হয়।
ঢাকাগামী গাজীপুর পরিবহনের চালক হাসমত আলী জানান, যেখানে চেরাগআলী থেকে আব্দুল্লাহপুর যেতে সাত থেকে আট মিনিট সময় লাগার কথা সেখানে যানজটের কারণে দুই ঘণ্টায়ও পৌঁছাতে পারি না। অনেক সময় মাঝপথইে যাত্রীরা নেমে হেঁটে চলে যায়। ময়মনসিংহগামী যাত্রী রাফসান জানান, আব্দুল্লাহপুর থেকে টঙ্গী চেরাগআলী মাত্র এক মিলোমিটার পথ। এই পথ যেতে যে সময় লাগে সেই সময়ে গাজীপুর থেকে ময়মনসিংহ পৌঁছাতে লাগে না। এ ব্যাপারে টঙ্গী ট্র্যাফিক পুলিশের পরিদর্শক তরকুিল ইসলাম জানান, ‘মাঝেমধ্যে বৃষ্টির কারণে সড়কে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় এবং আব্দুল্লাহপুর থেকে টঙ্গী গাজীপুরা পর্যন্ত সড়কের অধিকাংশ স্থানে ভাঙা থাকায় ধীর গতিতে পরিবহন চলাচল করে থাকে। এ কারণে গাড়ির অতিরিক্ত চাপ থাকায় সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়। আমাদের পর্যাপ্ত জনবল রয়েছে। আমরা যানজট নিরসনে কাজ করছি।’
