ষড়যন্ত্রকারীরা তলে তলে প্রস্তুতি নিচ্ছে :কাদের

আপডেট : ১৮ আগস্ট ২০২০, ২২:৩৪

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বিএনপি-জামায়াতের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেছেন, ‘দেশের রাজনীতিতে হত্যা, সন্ত্রাস, ষড়যন্ত্র আর সাম্প্রদায়িকতার বিস্তার তাদের হাত ধরেই। এখনো তারা সেই অপচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। খুনিরা তাদের ষড়যন্ত্রের জাল এখনো ছড়িয়ে রেখেছে। দেশে-বিদেশে এখনো ষড়যন্ত্র চলছে। তলে তলে প্রস্তুতি নিচ্ছে উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী।’

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে মহিলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে গতকাল মঙ্গলবার আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় ওবায়দুল কাদের ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত হন। বিভিন্ন দেশে পালিয়ে থাকা বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফিরিয়ে আনতে জোর কূটনৈতিক তত্পরতা চলছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা আছেন বলেই ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়েছে, জাতির কলঙ্ক মোচন হয়েছে। সেই আত্মস্বীকৃত খুনিরা শত আশ্রয়-প্রশ্রয়েও প্রটেকশন পায়নি জনতার কাছে। আদালতের রায়ে ফাঁসিতে ঝুলেছে খুনিরা। যারা লুকিয়ে আছে, তাদেরও ফিরিয়ে এনে ফাঁসির রায় কার্যকর করা হবে ইনশাআল্লাহ।

সেতুমন্ত্রী বিএনপির সমালোচনা করে বলেন, “একটি স্বাধীন দেশে সপরিবারে জাতির পিতার হত্যাকাণ্ডকে মধ্যযুগীয় কায়দায় ‘ডকট্রিন অভ নেসেসিটির’ কথা বলে যারা রাষ্ট্রীয়ভাবে বৈধতা দিয়েছিল, তারা আজ অপপ্রচার চালায় দেশে ন্যায়বিচার নেই বলে। ন্যায়বিচার তো দূরের কথা, ২১ বছর তো আমরা বিচারই চাইতে পারিনি। সেই অধিকার পর্যন্ত কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।”

বিএনপির দুর্নীতিবিরোধী বক্তব্যের প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি দুর্নীতির কথা বলে। আপনাদের সময় পরপর পাঁচবার দুর্নীতিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশের মানুষকে লজ্জা আর হতাশার সাগরে ডুবিয়েছিল। দুর্নীতির বরপুত্র হাওয়া ভবনের নামে প্রতিষ্ঠা করেছিল এক খাওয়া ভবন। কী খাননি আপনারা? খাম্বা থেকে শুরু করে এতিমের টাকা পর্যন্ত খেয়েছেন।’

মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাফিয়া খাতুনের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, মহিলাবিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি, মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।