এখন আর ট্রেন থামে না খয়রাতনগরে

আপডেট : ২১ আগস্ট ২০২০, ২১:২২

সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা

অযত্ন-অবহেলায় পড়ে আছে ভাষাসৈনিক ও যুক্তফ্রন্ট সরকারের মন্ত্রী প্রয়াত খয়রাত হোসেনের নামে নামকরণ হওয়া ‘খয়রাতনগর’ রেল স্টেশন। এই স্টেশনে এখন আর থামে না লোকাল কিংবা আন্তঃনগর ট্রেন। স্টেশনটি সচল না থাকায় স্থানীয় উন্নয়ন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এখানকার মানুষ।

সরেজমিনে সদর উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের ওলটপাড়া এলাকায় অবস্থিত এই স্টেশনে দেখা গেছে, ময়লা-আবর্জনার স্তূপ আর বিরানভূমিতে পরিণত হয়েছে স্টেশন চত্বর। আধাপাকা টিনশেডের স্টেশন কক্ষগুলো যেন লাকড়ি আর গবাদি পশুর গোবর রাখার ঘরে পরিণত হয়েছে। তবে কক্ষগুলোর পরিচয় হিসেবে টিকিট কাউন্টার, স্টেশন মাস্টার আর বিশ্রামাগারের চিহ্ন যেন এখনো হারিয়ে যায়নি।

সোনারায় ইউপির প্রাক্তন চেয়ারম্যান অশ্বিনী কুমার রায় বলেন, স্টেশনের সামনে উত্তরা ইপিজেড। শ্রমিকরা ট্রেনে করে নিরাপদে আসা-যাওয়া করতে পারেন এই পথ দিয়ে। ইপিজেডের উত্পাদিত মালামালও ট্রেনে করে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। স্টেশনটি চালু হলে অর্থনৈতিকভাবে এলাকার সক্ষমতা বাড়বে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে অনুরোধ জানাই যেন দ্রুত স্টেশনটি চালু করে আধুনিক মানসম্পন্ন অবকাঠামো নির্মাণ করে দেওয়ার উদ্যোগ নেন। প্রয়াত ভাষা সৈনিকের নাতি ইমরান বিন হাসনাত বলেন, শহরে দাদুর নামে একটি সড়ক, তার জীবনী নিয়ে ফলক এবং একটি মার্কেট রয়েছে। কিন্তু স্টেশনটির বেহাল অবস্থা।

খয়রাত হোসেনকে স্মরণীয় করে রাখতে স্টেশনটি আবারও সচল এবং যুগোপযোগী করা দরকার। জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী জানান, স্টেশনটি আবারও সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এই স্টেশনে উত্তরা ইপিজেডের মালামাল উঠা-নামা করানোর জন্য যেন কার্গো পরিবহন চলাচল করে তার জন্য মন্ত্রণালয়ে চেষ্টা করা হচ্ছে।