স্পোর্টস ডেস্ক
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে পিএসজির স্বপ্নভঙ্গের জন্য বায়ার্ন মিউনিখে ছিলেন রবার্ট লেভান্ডোভস্কি, সের্জ গেনাব্রি, থমাস মুলারদের মতো ডাকসাইটে ফরোয়ার্ডরা। অথচ তাদের ছাপিয়ে গত রবিবারের ফাইনালে নায়ক হলেন কিনা এক প্যারিসিয়ান ফরোয়ার্ড কিংসলে কোম্যান। শুধু প্যারিসের বাসিন্দা হলেও না হয় কথা উঠত না। কিন্তু কোম্যান ডে খেলে গেছেন পিএসজির বয়সভিত্তিক দলেও!
শেষ পর্যন্ত কোম্যানের গোলেই প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপার কাছে এসেও ট্রফিটা অধরা থেকে গেল ফরাসি চ্যাম্পিয়নদের। অথচ এই কোম্যান লিসবনে অনুষ্ঠিত ‘ফাইনাল এইট’ পর্বে এর আগে একটি ম্যাচেও নামেননি মাঠে। এমনকি ফাইনালের একাদশেই থাকার কথা ছিল না!
কিন্তু দুই ম্যাচে ম্লান ইভান পেরিসিচের জায়গায় কোম্যানকে নামালেন কোচ ফ্লিক। জার্মান কোচটি কি কোম্যানকে প্যারিসিয়ান বলেই মাঠে নামিয়েছিলেন? ফলটাও নির্ধারিত হলো তারই গোলে, ৫৯ মিনিটে জশুয়া কিমিখের ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে গোলটি করেন তিনি।
নায়ক বনে গিয়ে উচ্ছ্বসিত হলেও নিজের আঁতুড়ঘর পিএসজিকে শিরোপাবঞ্চিত করে কিছুটা দুঃখিত বায়ার্ন ফরোয়ার্ড কোম্যান। ম্যাচের প্রতিক্রিয়ায় বললেন, ‘এটা অসাধারণ, দারুণ আনন্দদায়ী। প্যারিসের জন্যে কিছুটা দুঃখিত, তাদের যাত্রাটা দারুণ ছিল আর আমাদের সেটাকে সম্মান জানাতেই হবে।’
পিএসজি কোচ থমাস টুখেল অবশ্য এ স্বপ্নভঙ্গকে পুঁজি করেই স্বপ্ন দেখছেন ভবিষ্যতের। এ ব্যাপারে তার ব্যাখ্যা, ‘এই ধারা ধরে রাখার জন্যে শক্তিশালী দল গড়তে হবে আমাদের। আপাতত এটাই আমাদের চ্যালেঞ্জ। আমরা ক্লাবের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু করতে পেরেছি।’
