নাগরিকত্বের সনদ দেখাতে না পারায় অনুজীব বিজ্ঞানী ও করোনা কিটের উদ্ভাবক ড. বিজন কুমার শীলকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছে সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. লায়লা পারভীন বানু বলেন, জুলাইয়ের ১ তারিখ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রধান বিজ্ঞানী ড. বিজন শীল গত ১২ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পান। প্রতিষ্ঠান থেকে কয়েক দফা নাগরিকত্ব সনদের প্রমাণ দিতে বলা হলেও তিনি তা পারেননি। এ কারণে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, ২০০২ সালে তিনি বাংলাদেশের পাসপোর্ট আত্মসমর্পণ করে সিঙ্গাপুরের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন। সিঙ্গাপুরের ভিসা নিয়ে বাংলাদেশে অবস্থান করলেও তার মেয়াদ শেষ হয় ১৬ মে। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৫ জুলাই নতুন ভিসা পেয়েছেন।
বিজন শীল বলেন, ‘প্রথম ভিসার ক্ষেত্রে কোনো বাধা না থাকলেও ভিসা নবায়ন করার পর নাগরিকত্বের বাধ্যবাধকতা দেওয়া হয়। কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছি, দ্রুত জবাব পাওয়ার আশায় আছি।’ বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম বলেন, কাজ করতে হলে কর্তৃপক্ষ থেকে অনুমতি নিতে হবে।
ড. বিজন শীল নাটোরের বনপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। সম্প্রতি তিনি গণস্বাস্থ্যের হয়ে করোনার অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডি কিট উদ্ভাবন করেন। এর আগে ১৯৯৯ সালে ছাগলের মড়ক ঠেকানো ভ্যাকসিন, ২০০২ সালে ডেঙ্গু ও ২০০৩ সালে সার্স ভাইরাসের র্যাপিড টেস্টের কিট উদ্ভাবন করেন।
