বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ব্যস্ত কৃষক
কাশীনাথ মজুমদার পিংকু, কালিহাতী (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা
কালিহাতীর বিভিন্ন নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। বন্যার পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে আমন ধানের চারা রোপণের কাজ। কালিহাতীর বিভিন্ন হাটবাজারে উঠতে শুরু করেছে ধানের চারা। কালিহাতীর সবচেয়ে বড় গাছীহাট বসে এলেঙ্গাতে। বিক্রি করা হয় চিকন, নাজিরশাল, স্বর্ণ-৫, পাটজাগসহ বিভিন্ন জাতের ধানের চারা।
উপজেলার পাঠন গ্রাম থেকে জালা বিক্রি করতে আসা কৃষক মো. তোরাব আলী বলেন, আমরা এই বাজারে ন্যায্যদামে চারা বিক্রি করতে পারি। তাছাড়া যোগাযোগ ব্যবস্থাও ভালো। ঘাটাইল উপজেলার যদুরপাড়া গ্রাম থেকে চারা কিনতে আসা কৃষক মো. সোলাইম মিয়া বলেন, আমার বাড়ি থেকে এই হাট কাছে হয়। তাছাড়া এই হাট থেকে চারা কেনার সুবিধা বেশি। এলেঙ্গা বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. দুলাল হোসেন বলেন, আমরা দূর থেকে আসা ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে থাকি। নিয়মিত রাতে পাহারার ব্যবস্থা করি। কালিহাতী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সাজ্জাদ হোসেন তালুকদার বলেন, কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণের জন্য কালিহাতীতে এক একর জমি এবং ১৬টি ট্রেতে ধানের বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। বিভিন্ন হাটবাজারেও ধানের চারা বিক্রি করা হচ্ছে। বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার জন্য উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর প্রান্তিক কৃষকদের পাশে থেকে কাজ করছে।
