ইংল্যান্ড-অষ্ট্রেলিয়া টি-টোয়েন্টি

চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত অষ্ট্রেলিয়া

আপডেট : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:১১

সারা দুনিয়ায় ক্রিকেট স্তব্ধ। কিন্তু ইংল্যান্ডে চলছে ক্রিকেটের মহা মৌসুম। ম্যানচেস্টার ও সাউদাম্পটনে জৈব বলয় তৈরি করে একের পর এক সিরিজ খেলছে তারা। ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আয়ারল্যান্ড, পাকিস্তানের পর এবার ঘরের মাটিতে তাদের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিনটি টি-টোয়েন্টি ও তিনটি ওয়ানডে খেলবে ইংল্যান্ড। টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ আজ সাউদাম্পটনে। বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় শুরু হবে খেলা। প্রথম ম্যাচের আগে অস্ট্রেলিয়ার কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গার বলেছেন, ইংল্যান্ড খুবই ভয়ংকর দল। কিন্তু তারাও চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত।

সীমিত ওভারে ইংল্যান্ডের শক্তি বলতে গিয়ে ল্যাঙ্গার বলছিলেন, ‘ইংল্যান্ড ভয়ংকর দল। ওয়েন মর্গ্যানের খেলার ধরন দারুণ—প্রথম বল থেকেই সে মারতে শুরু করে। তারা কিছু ভালো তরুণ খেলোয়াড় পেয়েছে এবং দলে অভিজ্ঞ কয়েক জনকেও রেখেছে। আমরা জানি, কয়েক বছর ধরে তারা বিশ্বের সেরা ওয়ানডে দল।’

ইংল্যান্ডে অস্ট্রেলিয়ার সবশেষ সীমিত ওভারের ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা সুখকর নয়। দুই বছর আগে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশড হওয়ার পর একমাত্র টি-টোয়েন্টিতেও হেরেছিল তারা। গত বছর ইংল্যান্ডে হওয়া বিশ্বকাপে বিদায় নেয় সেমিফাইনাল থেকে। তবে দল এবার প্রত্যাশা পূরণ করতে প্রস্তুত বলে মনে করেন ল্যাঙ্গার, ‘দুই বছর আগে আমরা এখানে এসেছিলাম এবং ৫-০ ব্যবধানে উড়ে গিয়েছিলাম। গত বছর এখানে এসে তিন ম্যাচের দুটিতে জিতেছিলাম, কিন্তু (বিশ্বকাপের) সেমিফাইনালে বড় ম্যাচটাতেই জিততে পারিনি। সামনে কী অপেক্ষা করছে, আমরা জানি এবং এর জন্য আমরা প্রস্তুত থাকব।’

ল্যাঙ্গারের মতে, সেই ৫-০ ব্যবধানে হারের পর অনেকটা পথ পাড়ি দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। মাঝে স্টিভেন স্মিথ, ডেভিড ওয়ার্নার ও ক্যামেরন ব্যানক্রফটের বল টেম্পারিংয়ের কঠিন সময়ও পেরিয়ে দল এখন আগের অবস্থায় ফিরে এসেছে বলে মনে করেন তিনি।