যক্ষ্মারোগ শনাক্তকরণে মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য উন্নত প্রযুক্তি সংযোজিত ভ্রাম্যমাণ এক্সরে গাড়ি (মোবাইল এক্সরে ভ্যান) চালুর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি (এনটিপি) ও বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক। যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচিকে আরো বেগবান করতে এনটিপির আওতায় ব্র্যাক এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে। গতকাল বৃহস্পতিবার কক্সবাজারের সিভিল সার্জন কার্যালয় প্রাঙ্গণে ভ্রাম্যমাণ এক্সরে গাড়ির মাধ্যমে চিকিত্সাসেবার উদ্বোধন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মাইক্রোব্যাকটেরিয়াল ডিজিজ কন্ট্রোলের (এমবিডিসি) পরিচালক ও জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির লাইন ডাইরেক্টর অধ্যাপক ডা. মো. শামিউল ইসলাম।
এ সময় অন্যদের মধ্যে কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুর রহমান, কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক (্উপপরিচালক) ডা. মো. জাকির হোসেন খান, জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির চট্টগ্রাম বিভাগের ডিভিশনাল এক্সপার্ট ডা. বিশাখা ঘোষ, ব্র্যাকের যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির ব্যবস্থাপক এস এম গোলাম রায়হান, একই সংস্থার ফোর্সলি ডিসপ্লেসড মিয়ানমার ন্যাশনালস (এফডিএমএন) প্রকল্পের আওতাধীন কমিউনিকেবল ডিজিজেজ কর্মসূচির লিড ডা. আল মামুন সিদ্দিকী, ব্র্যাকের কক্সবাজারের হিউম্যানিটারিয়ান ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রামের (এইচসিএমপি) স্বাস্থ্য ও পুষ্টি কর্মসূচির লিড ডা. এ এফ এম মাহবুবুল আলমসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এক্সরে ও অত্যাধুনিক জিন এক্সপার্ট সংযুক্ত বিশেষ ধরনের এই ভ্রাম্যমাণ গাড়ির মাধ্যমে উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রতিদিন গড়ে ১০০ জন রোগী এক্সরে করার সুযোগ পাবেন। একজন ল্যাব টেকনিশিয়ান ও রেডিওগ্রাফারের মাধ্যমে সম্ভাব্য রোগীকে তাত্ক্ষণিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে অনলাইন পদ্ধতিতে দ্রুত ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হবে।
