ঢাকা-৫ ও নওগাঁ-৬ আসনে তপশিল ঘোষণা ইসির

আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০৪

ঢাকা-৫ ও নওগাঁ-৬ শূন্য আসনে উপনির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনে ইসির সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর এ দুই আসনের পূর্ণাঙ্গ তপশিল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত তপশিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ১৭ সেপ্টেম্বর। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ২০ সেপ্টেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষদিন ২৭ সেপ্টেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ ২৮ সেপ্টেম্বর। আর ভোটগ্রহণ হবে ১৭ অক্টোবর, যা আগেই ঘোষণা করেছিল ইসি।

ইসি সচিব বলেন, ভোটগ্রহণ হবে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। এ দুই আসনে ইভিএমে ভোট নেওয়া হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভোট নেওয়া হবে। ভোটের প্রচারে ও ভোটে যারা অংশ নেবে তাদের স্বাস্থ্যবিধি মানতে নির্দেশনা জারি করা হবে।

ঢাকা-৫ আসনের উপনির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ঢাকার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাকে। আর সহকারী রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ডেমরা থানা নির্বাচন কর্মকর্তা ও মতিঝিল থানা নির্বাচন কর্মকর্তাকে।

নওগাঁ-৬ আসনের ভোটে রিটার্নিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে নওগাঁ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে। আর সহকারী রিটানিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা।

ঢাকা-১৮ ও সিরাজগঞ্জ-১ নিয়ে ইসির সচিব বলেন, ঢাকা-১৮ আসনে নির্বাচন পথম ৯০ দিনে ভোট করা সম্ভব হয়নি। এ কারণে কমিশন আরো ৯০ দিন সময় দিয়েছে। সিরাজগঞ্জ-১ বন্যার কারণে ভোট করতে পারছে না, তবে পরিস্থিতি ভালো হলে কমিশন ভোট করবে। 

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে মো. আলমগীর বলেন, সেপ্টেম্বর শেষে তপশিল দিয়ে স্থানীয় সরকারের ভোট অক্টোবর থেকে শুরু করা হবে। বাদ পড়া নির্বাচনগুলো আগে করা হবে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে সব নির্বাচন করা হবে।

গত ৬ মে হাবিবুর রহমান মোল্লার মৃত্যুতে ঢাকা-৫ আসন এবং ২৮ জুলাই মো. ইসরাফিল আলমের মৃত্যুতে নওগাঁ-৬ আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়। করোনা ভাইরাস মহামারির মধ্যে আসন শূন্য হওয়ার পর প্রথম ৯০ দিনে ভোট করা সম্ভব হয় নি। দ্বিতীয় ৯০ দিনের মধ্য ভোট হচ্ছে ঢাকা-৫ শূন্য আসনের। ঢাকা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাকে ঢাকা-৫ এবং নওগাঁ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে নওগাঁ-৬ উপনির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার করা হয়েছে।

সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদের চার দফায় বলা হয়েছে—সংসদের কোনো সদস্যপদ শূন্য হলে তার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। তবে কোনো দৈবদুর্বিপাকের কারণে এ নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে নির্বাচন সম্ভব না হলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে ভোট করতে হবে। এর আগে বগুড়া-১ ও যশোর-৬ আসনেও প্রথম ৯০ দিনে না পারায় পরের ৯০ দিনে উপনির্বাচন করেছিল ইসি।