ইত্তেফাক রিপোর্ট
চলতি একাদশ জাতীয় সংসদের নবম অধিবেশন শুরু হচ্ছে আজ রবিবার বেলা ১১টায়। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে করোনা মহামারির মধ্যেই বসতে যাওয়া এই অধিবেশনও আগের দুই অধিবেশনের মতো সংক্ষিপ্ত হবে। সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, এ অধিবেশন পাঁচ কার্যদিবস চলতে পারে। রেওয়াজ অনুযায়ী, সম্প্রতি মৃত্যুবরণকারী দুই সংসদ সদস্য সাহারা খাতুন ও ইসরাফিল আলমের ওপর আনা শোক প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শেষে আজকের অধিবেশন মূলতবি করা হবে। এছাড়া উপনির্বাচনে জয়ী দুই সংসদ সদস্য শাহিন চাকলাদার (যশোর-৬) এবং শাহান আরা মান্নান (বগুড়া-১) আজই প্রথম সংসদ অধিবেশনে যোগ দেবেন।
সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, আগের দুই অধিবেশনের মতো এবারও স্বাস্থ্যবিধি মেনেই অধিবেশন পরিচালিত হবে। অধিবেশন পরিচালনার জন্য যে কয়জন সংসদ সদস্যের উপস্থিতি আবশ্যক, কেবল ততজনই অংশ নেবেন। সংসদ সদস্যদের মধ্যে যারা অসুস্থ ও নিজ নির্বাচনি এলাকায় রয়েছেন তাদেরকে অধিবেশনে অংশ নিতে নিরুত্সাহিত করা হয়েছে। এবারও কোনো দর্শনার্থী প্রবেশের সুযোগ থাকছে না। সাংবাদিকদেরও সংসদ ভবনে না গিয়ে আগের দুই অধিবেশনের মতো সংসদ টিভি দেখে অধিবেশনের সংবাদ সংগ্রহ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এছাড়া এবারও প্রথমদিন অধিবেশন শুরুর আগে কার্যউপদেষ্টা কমিটির বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা কম।
তবে এবারের অধিবেশনে অনেক কার্যসূচি থাকায় তা নিয়ে বিপাকে পড়েছে সংসদ সচিবালয়। সংসদ সচিবালয়ের হাতে বর্তমানে ১৩টি বিল রয়েছে। আরো কয়েকটি বিল পাশের জন্য আসতে পারে। সংসদের হাতে থাকা বিলগুলো হলো কাস্টমস (সংশোধনী) বিল-২০১৯, বাংলাদেশ প্রকৌশল গবেষণা কাউন্সিল বিল ২০১৯, সামুদ্রিক মত্স্য বিল-২০২০, গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল-২০২০, আকাশপথ পরিবহন (মন্ট্রিল কনভেনশন) বিল-২০২০, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২০, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২০, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) বিল-২০২০, বাংলাদেশ রেফারেন্স ইনস্টিটিউট ফর কেমিক্যাল ম্যাজারমেন্ট বিল-২০২০, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২০, মত্স্য ও মত্স্য পণ্য (পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ) বিল-২০২০, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২০ ও বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন বিল) ২০২০। এ ছাড়া কোম্পানি আইন (সংশোধন) বিল নামে আরো একটি বিল এসেছে।
সংসদ সচিবালয় বলছে, এক কার্যদিবসে সর্বোচ্চ দুটি বিল পাশ হতে পারে। বর্তমানে ১৩টি বিলের জন্য কমপক্ষে ৭ দিন সময় প্রয়োজন।
