গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাস শনাক্ত করার নমুনা পরীক্ষা কমলেও শনাক্তের সংখ্যা বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ১২ হাজার ৮৪৭ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১ হাজার ৯৫০ জনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। শুক্রবারের চেয়ে গতকাল ২১ জন বেশি শনাক্ত হয়েছেন। শুক্রবার ১৩ হাজার ৭৩ জনের নমুনা পরীক্ষায় শনাক্ত হয়েছিলেন ১ হাজার ৯২৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৩৫ জন, আগের দিনের চেয়ে ছয় জন বেশি মারা গেছেন।
গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, করোনা শনাক্তের বিবেচনায় গতকাল মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩৭ শতাংশ। গত ৩০ আগস্ট থেকে মৃত্যুর একই হার বিদ্যমান রয়েছে। এখন পর্যন্ত দেশে এ ভাইরাসে মৃত্যুবরণ করেছেন ৪ হাজার ৪৪৭ জন।
করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল এবং বাসায় মিলিয়ে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৬৬১ জন। শুক্রবারের চেয়ে গতকাল ৫৫০ জন কম সুস্থ হয়েছেন। শুক্রবার সুস্থ হয়েছিলেন ২ হাজার ২১১ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ২ লাখ ১৭ হাজার ৮৫২ জন। গতকাল শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৬৭ দশমিক ৩৩ শতাংশ।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ১৮ শতাংশ। আগের দিন এ হার ছিল ১৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ। আগের দিনের চেয়ে গতকাল শনাক্তের হার দশমিক ৪২ শতাংশ বেশি। দেশে মোট ১৬ লাখ ১৭ হাজার ৯৫৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৩ লাখ ২৩ হাজার ৫৬৫ জনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। মোট পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ২০ শতাংশ। শুক্রবার এই হার ছিল ২০ দশমিক ০৪ শতাংশ। বিজ্ঞপ্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, করোনা ভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১২ হাজার ৩১৮ জনের। আগের দিন সংগ্রহ করা হয়েছিল ১৩ হাজার ৩৬৯ জনের। শুক্রবারের চেয়ে গতকাল ১ হাজার ৫১টি নমুনা কম সংগ্রহ করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৩টি পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১২ হাজার ৮৪৭ জনের। আগের দিন নমুনা পরীক্ষা হয়েছিল ১৩ হাজার ৭৩ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় আগের দিনের চেয়ে ২২৬টি কম নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত ৩৫ জনের মধ্যে পুরুষ ২৫ এবং নারী ১০ জন। এদের মধ্যে হাসপাতালে ৩৪ জন এবং বাড়িতে এক জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে ত্রিশোর্ধ্ব তিন জন, চলিশোর্ধ্ব দুই জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব পাঁচজন এবং ষাটোর্ধ্ব ২৫ জন ছিলেন। ঢাকা বিভাগের ছিলেন ২০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের চার জন, খুলনা বিভাগের ছয় জন, বরিশাল বিভাগের এক জন, সিলেট বিভাগের এক জন, রংপুর বিভাগের দুই জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগের ছিলেন এক জন। এ পর্যন্ত মৃতদের মধ্যে পুরুষ তিন হাজার ৪৭৯ জন (৭৮ দশমিক ২৩ শতাংশ) এবং নারী ৯৬৮ জন (২১ দশমিক ৭৭ শতাংশ)।
