মেজর (অব.) সিনহা হত্যা মামলা তদন্তে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গঠিত কমিটি আজ মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন জমা দেবে। বিষয়টি জানিয়েছেন তদন্ত কমিটির প্রধান চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। ২ সেপ্টেম্বর কমিটি কক্সবাজার জেলা কারাগারে প্রদীপ কুমার দাশের বক্তব্য গ্রহণ করে। এরপর কমিটি ১৩ সুপারিশসহ ৮০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন তৈরি করে। সঙ্গে সংযুক্তি দেওয়া হচ্ছে ৫৮৬ পৃষ্ঠা।
এদিকে, সিনহা হত্যা মামলায় ওসি প্রদীপ, লিয়াকত ও নন্দদুলাল রক্ষিতের সহযোগী আসামি পুলিশের অপর চার সদস্যকে দ্বিতীয় দফায় চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। গতকাল রবিবার দুপুরের দিকে জেলা কারাগার থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের নিয়ে গেছে র্যাব। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা কারাগারের সুপার মো. মোকাম্মেল হোসেন।
ঐ চার পুলিশ সদস্য হলেন : বরখাস্ত এএসআই লিটন মিয়া, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন ও আবদুল্লাহ আল মামুন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র্যাবের সিনিয়র এএসপি খাইরুল ইসলাম জানান, পুলিশের এ চার সদস্যকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দ্বিতীয় দফায় ২৪ আগস্ট রিমান্ডের আবেদন করা হলে আদালত চার দিন রিমান্ড মঞ্জুর করে। একই দিন মামলার প্রধান তিন আসামি ওসি প্রদীপ, লিয়াকত ও নন্দ দুলাল রক্ষিতেরও চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছিল। তাদের আগে জিজ্ঞাসাবাদ করায় এ চার জনকে তখন রিমান্ডে নেওয়া হয়নি। কারাগার থেকে বের করে তাদের হাসপাতালে নিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়।
এ মামলায় পুলিশের অপর তিন সদস্যের মধ্যে ওসি প্রদীপকে চার দফায় ১৫ দিন এবং লিয়াকত ও নন্দদুলাল রক্ষিতকে তিন দফায় ১৪ দিন করে রিমান্ডে নেওয়া হয়। লিয়াকত ও নন্দদুলাল ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেও প্রদীপ রাজি হননি। তারা সবাই এখন কারাগারে রয়েছেন। এপিবিএনের তিন সদস্যসহ এ পর্যন্ত আট জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
