জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মেহেদি হাসান সিদ্দিকী রনির বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক শিক্ষিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। গত শনিবার রাতে রংপুরের কোতোয়ালি থানায় এ মামলা দায়ের করেন সদর উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঐ শিক্ষিকা।
অভিযুক্ত রনি রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাজিতপুর ফতেপুর গ্রামের আবু বকরের ছেলে। এছাড়াও মামলায় রনির সহযোগী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের রণজিত্ ঘোষ তাপস, হামিদুল ইসলাম জিয়া ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা বেলালকে আসামি করা হয়েছে।
ঐ শিক্ষিকা অভিযোগ করেন, রনির সঙ্গে প্রেম হওয়ার পর তিনি আমাকে বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে নিয়ে যান। রনি আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করতে চাইলে আমি তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেই। এক পর্যায়ে রনি আমাকে নীলফামারীতে তার বন্ধু সজল কুমারের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে ভুয়া কাজীর মাধ্যমে আমাদের বিয়ে হয়। সজলের বাড়িতেই রনি আমাকে রাতভর ধর্ষণ করে। এরপর রনি আমাকে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে ধর্ষণ করে।
তিনি অভিযোগে আরো উল্লেখ করেন, আমি রনির কাছে বউয়ের মর্যাদা দাবি করলে তিনি বলেন ছাত্ররাজনীতির পদ-পদবী ও মর্যাদার কারণে আরো কিছু দিন দেরি হবে। এছাড়াও রনি আমাকে বিভিন্ন প্রভোলন দেখিয়ে আমার কাছ থেকে ১৮ লাখ টাকা কৌশলে হাতিয়ে নেয়।
জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মেহেদি হাসান সিদ্দিকী রনির সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে রংপুর কোতোয়ালি থানার ওসি আব্দুর রশিদ সাংবাদিকদের জানান, এ ব্যাপারে থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
