কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া নৌরুট

পদ্মায় চলছে ড্রেজিং ফেরি চলাচল বন্ধ

আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:০৬

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌপথে পদ্মায় চলছে ড্রেজিং। গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে ফেরি বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন যানবাহনের চালক ও হাজার হাজার যাত্রী। দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার যাত্রীরা বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়েই লঞ্চ ও স্পিডবোটে পারাপার হচ্ছে। ঘাটে ১৩ দিন ধরে আটকে আছে পণ্যবাহী ট্রাকও। আটকে পড়া ট্রাকের লোকজন দিনের পর দিন অসহায় অবস্থায় রয়েছে। এদিকে নাব্য-সংকট নিরসনে লৌহজং টার্নিং ও পদ্মা সেতুর ২৬ থেকে ২৪ নম্বর খুঁটি পর্যন্ত ড্রেজিং চলছে। তবে কবে নাগাদ ফেরি সচল হবে, তা এখনো নিশ্চিত করেনি কর্তৃপক্ষ।

বিআইডব্লিউটির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. ছাইদুর রহমানের সঙ্গে গতকাল বুধবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি, কিন্তু এখনো পুরো নাব্য ফেরেনি। পদ্মা সেতুর কাছে অনেক স্রোত, সেখানেই এখন ড্রেজিং চলছে বেশি। এদিকে সাত দিন ধরে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী বন্ধ থাকায় মানিকগঞ্জের পাঁটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুট বিকল্প হওয়ায় যানবাহনের চাপ বেড়েছে কয়েক গুণ। ঘাট এলাকায় দীর্ঘ থেকে দীর্ঘ হচ্ছে যানবাহনের সারি। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা।

ঘাট কর্তৃপক্ষ জানায়, নাব্য-সংকটের কারণে দীর্ঘ সাত দিন ধরে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকার কারণে বিকল্প হিসেবে ব্যবহূত হচ্ছে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুট। এতে দেখা দিয়েছে যানবাহনের দীর্ঘ সারি। এছাড়া রাতের দিকে এই নৌরুটে ১৯টি ফেরির মধ্যে বড় চারটি ফেরি স্রোতের বিপরীতে চলতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হওয়ায় ছোট-বড় ১৫টি ফেরি চলাচল করছে।

গতকাল বুধবার সকাল ৮টার পর থেকে পরিবহনের চাপ আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। এই মুহূর্তে উভয় ঘাট এলাকায় সহস্রাধিক যানবাহন অপেক্ষায় রয়েছে। বাস, ছোট যানবাহন ও অ্যাম্বুলেন্সকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। অতিরিক্ত যানবাহন সামাল দিতে ঘাট থেকে সাত কিলোমিটার দূরে উথুলী সংযোগ মোড়ে পণ্যবাহী ট্রাক সারিবদ্ধ করে রাখছে কর্তৃপক্ষ। পণ্যবাহী ট্রাক বেশি জমে যাওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যানবাহনের শ্রমিকেরা।