নেত্রকোনায় ট্রলারডুবি ১১ জনের লাশ উদ্ধার

আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:২২

নেত্রকোনার সীমান্তবর্তী কলমাকান্দা উপজেলার বড়খাপন ইউনিয়নের রাজনগর হলদিয়া গ্রামে গুমাই নদীতে যাত্রীবাহী ট্রলারডুবির ঘটনায় ১১ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উদ্ধার করা লাশের মধ্যে চার জন শিশু এবং পাঁচ জন মহিলা রয়েছে। নৌকাটিতে ৩৫ জনের মতো যাত্রী ছিল বলে জানা গেছে। জেলা প্রশাসক কাজি মো. আবদুর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কাজ পরিদর্শন করেন। যাদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে তারা হলেন, মধ্যনগর উপজেলার ইনাফনগরের ওয়াহাব মিয়ার স্ত্রী লুত্ফুন্নাহার (২৬), কন্যা ইয়াসমিন (৩),         হামিদা খাতুন (৪৫), মজিদা আক্তার (৩০), অনিক (৫) জাহিদ (৩), লাকি আক্তার (৩৫), টুম্পা (৫), মুজাহিদ হোসেন (২০), সুলতানা আক্তার (৪৫) এবং অপরজন অজ্ঞাত। যারা নিখোঁজ রয়েছেন তারা হলেন, মনিরা আক্তার (৫), রতন মিয়া (৩৫), ফাতেমা আক্তার (৪৫) ও মোফাজ্জল হোসেন।  বাকিরা সাঁতরিয়ে তীরে উঠেছেন বলেও জানা গেছে।

বড়খাপন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম হাদিছুজ্জামান এবং কলমাকান্দা থানার ওসি (তদন্ত) সিরাজুল ইসলাম জানান, গতকাল সকাল ১০টার দিকে যাত্রীবাহী ট্রলারটি সুনামগঞ্জের মধ্যনগর থেকে নেত্রকোনার ঠাকুরাবোনায় আসার পথে বালুবাহী অপর একটি স্টিল বডির ট্রলাররের সঙ্গে সংঘর্ষ হলে যাত্রীবাহী ট্রলারটি ডুবে গেলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় লোকজন যাত্রীদের উদ্ধারের চেষ্টা করলেও প্রবল স্রোতের কারণে অনেককেই উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোহেল রানা জানান, উদ্ধারের কাজ চলছে। স্থানীয় ডুবুরীরাও সেখানে কাজ করছেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ সুপার আকবর আলী মুনসী বলেন, পুলিশের একটি টিমও সেখানে উদ্ধার কাজে সম্পৃক্ত রয়েছে। যাত্রীবাহী ট্রলারটি উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে । তবে ট্রলার চালক দুই জনই পলাতক বা নিখোঁজ রয়েছে।

জেলা প্রশাসক কাজি মো. আবদুর রহমান ঘটনাস্থল থেকে জানান, আর্থিক সহায়তা দিয়ে লাশগুলো তাদের পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।