ঢাকার জজ কোর্টে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বিচারক তাবাসুম ইসলামের আদালত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিউটিশিয়ানকে গণধর্ষণের ঘটনায় ওসি এবং ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এজাহারে শুভাঢ্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদরঘাট এলাকার ইজারাদার ইকবাল হোসেনকে (৫৫) এক নাম্বার আসামী করা হয়েছে।
বাদির অভিযোগ গত ২৬ জুলাই দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার পুলিশের সোর্স ডাকাত রাহাতের সহযোগীতায় বিউটি পার্লার থেকে মীরেরবাগ এলাকায় নিজ বাসায় ফেরার পথে রাতে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে বিউটিশিয়ানকে অপহরণ করে ৩ দিন আটকে রেখে আসামি (১) ইকবাল হোসেন চেয়ারম্যান (২) তুহিন রেজা (৩) পুলিশের সোর্স ডাকাত রাহাত (৪) তেলঘাটের তেল ব্যবসায়ী সভাপতি জিএম সারোয়ার গণধর্ষণ করে।
আরো পড়ুনঃ করোনায় শ্রমজীবী নারীদের আর্থ সামাজিক অবস্থা নিয়ে মহিলা পরিষদের সমীক্ষা প্রকাশ
এ বিষয়ে বিউটিশিয়ান ধর্ষকদের হাত থেকে মুক্তি পেয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় এক নাম্বার আসামী ইকবাল হোসেন চেয়ারম্যান ও চার নাম্বার আসামী জিএম সারোয়ার কেরানীগঞ্জের প্রভাবশালী হওয়ায় পুলিশ ওই মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করে বরং মামলা তুলে নিতে বাদি বিউটিশিয়ানকে চাপ সৃষ্টি করতে থাকে।
গত সপ্তাহে আসামী (১) ইকবাল হোসেন চেয়ারম্যান (২) তুহিন রেজা (৩) পুলিশের সোর্স ডাকাত রাহাত (৪) জিএম সারোয়ার (৫) দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি নিয়ন্ত্রণ শাহদাত হোসেন (৬) ওসি তদন্ত আশিকুর রহমান (৭) ওসি ইনচার্জ শাহ জামান বাদিকে অপহরণ করে রাজধানীতে একটি বাড়িতে আটকে রেখে মামলা তুলে নিতে চাপসৃষ্টি করতে থাকে।
সেখানেও দুদিন বাদিকে আসামিরা ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় বাদিকে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ওই ৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন।
বিজ্ঞ নারী শিশু আদালত মামলাটি জুডিশিয়াল তদন্তের আদেশ দিয়েছেন।
ইত্তেফাক/এমএএম
