৪০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের মামলায় দুদকের সাময়িক বরখাস্ত হওয়া পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে কেন জামিন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে দুদকসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেয়। আদালতে বাছিরের পক্ষে ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ও দুদকের পক্ষে খুরশীদ আলম খান শুনানি করেন। শুনানি শেষে হাইকোর্ট জামিন প্রশ্নে রুল জারি করে।
গত বছরের ৯ জুন একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে প্রচারিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে পরিচালিত দুর্নীতির অনুসন্ধান থেকে দায়মুক্তি পেতে দুদক পরিচালক বাছিরকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়েছিলেন ডিআইজি মিজান। ঘুষ লেনদেন সংক্রান্ত কথোপকথন রেকর্ড করে ঐ চ্যানেলকে দিয়েছিলেন তিনি। ডিআইজি মিজান নিজেও এ বিষয়ে গণমাধ্যমে সাক্ষাত্কার দেন। অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা থেকে বাঁচতে ঐ অর্থ ঘুষ দেন বলে ডিআইজি মিজান দাবি করেন। পরে অনুসন্ধান করে ঘটনার সত্যতা পেয়ে দুই জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। এ মামলায় গত ১৯ জানুয়ারি পুলিশের বরখাস্তকৃত ডিআইজি মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। গত ১৮ মার্চ অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর নির্দেশ দেয় আদালত। গত বছরের ২২ জুলাই রাতে দুদকের পরিচালক ফানাফিল্লার নেতৃত্বে একটি টিম মিরপুরের দারুস সালাম এলাকা থেকে বাছিরকে গ্রেফতার করে। মামলাটি বর্তমানে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।
