পেঁয়াজ আমদানিতে ট্যাক্স কমানোর জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়া হয়েছে জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, আশা করছি পাঁচ শতাংশ ট্যাক্স প্রত্যাহার করা হবে। তিনি বলেন, পেঁয়াজের দামটা একটু বেড়েছে। শুধু দেশে না ভারতেও দাম বেড়েছে। তবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে মনিটর করছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে হাঙ্গেরির পররাষ্ট্র ও বাণিজ্যবিষয়ক মন্ত্রী পিটার সিজার্তোর নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে তিনি এসব কথা বলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবার সর্বোচ্চ পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি করা হবে। এছাড়া বেশ কয়েকটি মনিটরিং টিম পেঁয়াজ আমদানির অবস্থা দেখতে বেনাপোল ও হিলিতে যাবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে টিসিবি বড় পরিসরে খোলাবাজারে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করবে। তাই পেঁয়াজ নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, গত বছর ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করলেও এবার বন্ধ হয়নি। তবে গত বছর ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার কারণে আমরা নতুন বাজার থেকে আমদানি করতে শিখেছি। ইতিমধ্যে টিসিবির মাধ্যমে টার্কি থেকে পেঁয়াজ আমদানির জন্য টেন্ডারও করা হয়েছে। এছাড়া গতকাল মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বাণিজ্যসচিবের কথা হয়েছে। আমরা পেঁয়াজ আমদানির সবগুলো পথ খুলে দিতে চাই। এ বছর আমাদের ৫ থেকে সাড়ে ৫ লাখ টন পেঁয়াজের ঘাটতি রয়েছে বলে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান।
হাঙ্গেরির পররাষ্ট্র ও বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, হাঙ্গেরির সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রচুর সুযোগ রয়েছে। একটি জয়েন্ট ট্রেড কমিশন গঠনের মাধমে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের খাতগুলো চিহ্নিত করা সহজ হবে।
হাঙ্গেরির পররাষ্ট্র ও বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্পেশাল ইকোনমিক জোনে হাঙ্গেরি এগ্রোফুড প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রিসহ বাংলাদেশের বিশুদ্ধ পানি ব্যবস্থাপনা ও ফার্মাসিউটিক্যাল সেক্টরে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। বাংলাদেশের কৃষিভিত্তিক ইন্ডাস্ট্রিতে আধুনিক প্রযুক্তি ও মেশিনারিজ সরবরাহ করার সুযোগ রয়েছে।
