শ্রমিক আন্দোলন নিয়ে গত কয়েক দিন ধরে ব্যাপক আলোচনার মধ্যে থাকা ড্রাগন সোয়েটার কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, তারা কারখানার কোনো শ্রমিক, কর্মকর্তা কিংবা কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করেনি। শ্রমিকদের কোনো বেতনও বাকি নেই। বরং কারখানার মধ্যে কিছুসংখ্যক কর্মকর্তার মাধ্যমে ‘গোপন শ্রমিক সংগঠন’ করে উত্পাদন কাজ ব্যাহত করছে। একই সঙ্গে সামান্য অজুহাতে কাজ বন্ধ করে কারখানার সামনের রাস্তায় (রামপুরা এলাকার ডিআইটি রোড) বন্ধ করে গাড়ি ভাঙচুর এবং কারখানার মালামালের ক্ষতিসাধন করে। গতকাল বৃহস্পতিবার ড্রাগন সোয়েটার ইস্যুতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস। তিনি তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি।
গত দুই বছর ধরে ড্রাগন সোয়েটারে অল্পবিস্তর শ্রম অসন্তোষ চলে আসছে। সম্প্রতি তা বেড়েছে। শ্রমিকদের বেআইনিভাবে চাকরিচ্যুতি, পাওনা না দেওয়া কিংবা শ্রমিক সংগঠন করতে না দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে। শ্রমিকদের আইনানুগ পাওনা না দেওয়ার অভিযোগে দীর্ঘদিন থেকেই আন্দোলন করে আসছে গার্মেন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র নামে একটি সংগঠন। এই ইস্যুতে সম্প্রতি জার্মানির হামবুর্গসহ একাধিক দেশে ড্রাগনের পোশাক আমদানিকারক ব্র্যান্ডের দোকানের সামনে শ্রমিকদের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে মানববন্ধনের মতো ঘটনাও ঘটেছে। এছাড়া শ্রমিকের পাওনার বিষয়ে উদ্যোগ নিতে ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে চিঠিও পাঠিয়েছে গার্মেন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র।
এ ঘটনার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস। এক প্রশ্নের জবাবে মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস বলেন, তার প্রতিষ্ঠানে পাঁচ মাস ধরে কিছু শ্রমিক কাজ করছে না। কিন্তু তাদের বেতন দেওয়া হয়েছে। অল্প কিছু শ্রমিক বাদে বাকিরা কাজে যোগ দিয়েছে এবং বর্তমানে কারখানা পুরোদমে উত্পাদনে রয়েছে।
