নিকলীর হাওরে সূর্যোদয় সূর্যাস্তের অপরূপ দৃশ্য

আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:১৫

নিকলী (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা

জীববৈচিত্র্য আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার হাওর। সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় দিগন্তজোড়া এ জলরাজি হয়ে ওঠে অপার্থিব সৌন্দর্যের লীলাক্ষেত্র। হাওরের জলরাশিতে শরতের আকাশের প্রতিচ্ছবি অনির্বচনীয় ও মুগ্ধকর। সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের সময় আকাশে ভাসমান মেঘগুলোকে মনে হবে অগ্নিশিখা। হাওরের সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের দৃশ্য সমুদ্রসৈকতের চেয়ে কম মনোরম নয়। নিকলীর বেড়িবাঁধ পর্যটন এলাকা থেকে এ দৃশ্য অবলোকন করা যায়।

বুধবার ভোরে বেড়িবাঁধে গিয়ে দেখা যায়, হাওরের বিস্তীর্ণ জলরাশিতে দ্বীপের মতো ‘ভাসমান’ ছোট ছোট গ্রাম। এমন যে কোনো গ্রাম থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় হাওরের অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়।

কিশোরগঞ্জ গুরুদয়াল সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক নুসরাত জাহান উর্মি, উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা চন্দন বর্মণ, শিক্ষার্থী সারোয়ার আলম, সাজন মাহমুদ, জুমান আহমেদ, আল মামুন এ প্রতিবেদককে বলেন, নিকলীর বেড়িবাঁধ থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখে যে মনোমুগ্ধকর অনুভতি সৃষ্টি হয় তা সমুদ্রসৈকতে দাঁড়িয়েও পাওয়া যাবে না।

হাওর পাড়ের কয়েক জন বাসিন্দা জানান, সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখার জন্য অনেকে অনেক খরচ করে চলে যায় কুয়াকাটা বা কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে। কিন্তু কিশোরগঞ্জের নিকলীর পর্যটন এলাকার হাওরে এলেই সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়।

নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সামছুদ্দিন মুন্না বলেন, হাওর উপজেলা নিকলীর বেড়িবাঁধের ওপর থেকে সূর্যোদয় দেখলে মনে হয়, পানির ভেতর থেকে সূর্য উঠছে। আর বিকালে সূর্যাস্ত দেখলে মনে হবে যেন পানির ভেতরে সূর্য ডুবে যাচ্ছে। এ দৃশ্য বিনোদনপিপাসুদের হূদয়ে নাড়া দেবে। তিনি আরো বলেন, সরকারি উদ্যোগে পর্যটকদের জন্য জায়গা করে দিতে পারলে অবশ্যই এ হাওর হবে পর্যটন এলাকার কেন্দ্রবিন্দু।