অনন্যার যুদ্ধজয়ের গল্প

আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:৩৮

 

সম্প্রতি ‘অনন্যা শীর্ষদশ সম্মাননা ২০১৯’ প্রদান করা হয়। প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাবের কারণে অনলাইনে লাইভ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সম্মাননা প্রদান করা হয়। বরাবরের মতো এবারও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ এ সম্মাননা দেওয়া হয়। যারা পাহাড়সম প্রতিকূলতা ঠেলে নিজের জীবনে সফল হয়ে সমাজের নারীর অবস্থান দৃঢ় করার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন তাদের একজন শিক্ষায় সম্মাননাপ্রাপ্ত প্রতিভা সাংমা। তার জীবনযুদ্ধের

খানিকটা জানাতে এই আয়োজন—

প্রতিভা সাংমা, শিক্ষা (মরণোত্তর)

শিক্ষার আলো না থাকলে একটা জনগোষ্ঠীর জগত্ অন্ধকারেই ডুবে থাকে। এ কথা সবচেয়ে ভালো বুঝেছিলেন ৯০ ছুঁইছুঁই প্রতিভা সাংমা। চিরকুমারী এই গারো নারীর জন্ম সেই ১৯৩২ সালে। সংসারের অনটন সত্ত্বেও প্রতিভাকে তার মা ময়মনসিংহ শহরের বিদ্যাময়ী গার্লস হাইস্কুলে ভর্তি করে দেন। মহিষের গাড়িতে করে ও হেঁটে মধুপুর জঙ্গল পাড়ি দিয়ে মায়ের সঙ্গে ময়মনসিংহ শহরে যেতে হতো। ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করেন ১৯৪৯ সালে। ১৯৫২ সালে তিনি ময়মনসিংহ শহরের হলি ফ্যামিলি হাইস্কুলে শিক্ষিকা হিসেবে যোগ দেন। ১৯৭০ সালে তিনি হালুয়াঘাটের সেন্টমেরি মিশনারি হাইস্কুলের চাকরি ছেড়ে নিজ গ্রামে চলে আসেন। পরবর্তী সময়ে মধুপুর বনাঞ্চলে শতাধিক মিশনারি প্রাইমারি ও তিনটি উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়। তার গ্রামের দুই শতাধিক গারো পরিবারে এখন কোনো অশিক্ষিত মানুষ নেই।