নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণে দগ্ধ ৩৭ জনের পরিবারকে ৫ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ প্রদানের হাইকোর্টের আদেশ পহেলা ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থগিত করেছে আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত। একই সঙ্গে এদিন এই সংক্রান্ত স্থগিত আবেদনের ওপর প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে শুনানির জন্য দিন ধার্য করে দেওয়া হয়েছে। তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের করা এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান গতকাল রবিবার এই আদেশ দেন। আদালতে তিতাসের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী এ এম আমিন উদ্দিন ও রিটকারীর পক্ষে তৈমুর আলম খন্দকার শুনানি করেন।
শুনানিতে এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, মসজিদে বিস্ফোরণে হতাহতের ঘটনায় কার দায় রয়েছে সেটা এখনো নিরূপণ করা হয়নি। নিরূপণ না করার আগেই আমাকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া হাইকোর্টে আমি শুনানির সুযোগ পাইনি। আমার বক্তব্য গ্রহণ না করেই ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে বলেছে। এরপরই চেম্বার জজ আদালত হাইকোর্টের আদেশ পহেলা ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থগিত করে দেয়। তখন রিটকারী আইনজীবী তৈমুর আলম খন্দকার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে আবেদনটি শুনানির দিন এগিয়ে আনার আর্জি জানান। কিন্তু আদালত দিন ধার্যের পূর্বের আদেশই বহাল রাখেন।
নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণে দগ্ধ ৩৭ জনের পরিবারকে ৫ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য গত ৯ সেপ্টেম্বর তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। উচ্চ আদালতের এই আদেশ স্থগিতের জন্য আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতে আবেদন করে তিতাস গ্যাস।
