ফুলবাড়ীতে চুক্তি করলেও সরকারি গুদামে চাল সরবরাহ করেননি ২৪ জন মিলার। সময় বৃদ্ধির পরও এক ছটাক চালও খাদ্যগুদামে সরবরাহ করেননি চুক্তিবদ্ধ ঐ মিলাররা। ফলে চাল সরবরাহের বর্ধিত সময়ের শেষ দিন গত মঙ্গলবার পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। মিলাররা বলছেন, ধানের দাম বেশি। মোটা জাতের ধান কিনে প্রতি কেজি চাল উত্পাদনে ৪০ টাকার ওপরে খরচ হচ্ছে। সেখানে সরকার সরবরাহ দর দিয়েছেন প্রতি কেজি ৩৬ টাকা। এ অবস্থায় খাদ্যগুদামে চাল সরবরাহ করলে প্রতি কেজিতে পাঁচ-ছয় টাকা লোকসান গুনতে হবে। ফুলবাড়ী উপজেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রক গোলাম মওলা বলেন, সরবরাহের সময়সীমা বাড়ানোর পরও চুক্তিবদ্ধ ২৪ জন মিলার চাল সরবরাহ না করায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্তসহ লাইসেন্স বাতিল করা হবে।
