প্রকৃতিতে শারদীয় দুর্গোত্সবের পদধ্বনি। এই উত্সবের আগমনী বার্তা নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হলো মহালয়া। উপলক্ষ্যটিকে গানে গানে স্বাগত জানায় শিল্পীরা। দেবী দুর্গাকে মর্ত্যলোকে আমন্ত্রণের বিশেষ দিনটিতে ভার্চুয়াল সংগীত আসরটির শিরোনাম ছিল ‘আগমনী গান’। এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সৃজনশীল গানের দল ‘নিবেদন’। অনুষ্ঠানের প্রথম দিন গতকাল সন্ধ্যায় নিবেদনের ফেসবুক পেজে সরাসরি সম্প্রচারিত হয় এ অনুষ্ঠান। এ দিন সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী সৃজ্যোতি রায়, ত্রিবেণী পান্না, সুমনা দাশ, মনিকা বিশ্বাস ও বিশ্বজিত্ রায়।
সৃজ্যোতি রায় পরিবেশন করেন রবীন্দ্র সংগীত। সুরের আশ্রয়ে শারদলক্ষ্মীর সুন্দরতম রূপের প্রকাশে গেয়ে শোনান— ‘আমরা বেঁধেছি কাশের গুচ্ছ/আমরা গেঁথেছি শেফালি মালা/নবীন ধানের মঞ্জুরি দিয়ে/সাজিয়ে এনেছি ডালা ...।’ এছাড়াও এই শিল্পী গেয়ে শোনান ‘জাগো দুর্গা জাগো’ ও ‘বাজলো তোমার আলোর বেণু’ শীর্ষক সংগীত।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের গান দিয়ে শুরু করেন ত্রিবেণী পান্না। গেয়ে শোনান—আমার আনন্দিনী উমা আজো এলো না তার মায়ের কাছে/হে গিরিরাজ! দেখো এসো কৈলাসে মা কেমন আছে...। এছাড়াও তিনি গান ‘আনন্দে মাতে গিরিরাজ পুরী’, ও ‘আসবেন বলে মা’ শিরোনামের সংগীত।
সুমনা দাশের কণ্ঠে গীত হয় ‘শিশিরে শিশিরে শারদ আকাশে’, ‘আনন্দিনী মা যে আমার’, ‘আনন্দময়ী এলো আনন্দ’ শিরোনামের গান।
মনিকা বিশ্বাস পরিবেশিত গানগুলোর শিরোনাম ছিল ‘ভবানী দয়ানী’, ‘ওগো আমার আগমনী’ ও ‘শ্রী দুর্গা নাম ভুলো না’। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনার পাশাপাশি সংগীত পরিবেশন করেন বিশ্বজিত্ রায়। তার গাওয়া দুটি গানের শিরোনাম ছিল ‘যাও গিরিরাজ যাও যাও’ ও ‘কেমন করে হরের ঘরে’।
দুই দিনব্যাপী এই সংগীতায়োজনের সমাপনী দিন আজ শনিবার। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় শুরু হবে অনুষ্ঠান। আজ গান শোনাবেন শিল্পী লীনা দাশ, সুমা রায় ও সঞ্জয় কবিরাজ।
