মুমিনুলদের কাছে খেলার সুযোগটাই বড়

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:১০

সুরক্ষা বলয়ে প্রথমবার

 জান-ই-আলম

করোনাকালে ক্রিকেটের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে পড়েছে বায়োসিকিউরড বাবল তথা জৈব সুরক্ষা বলয়। যার আবহে গত কয়েক মাসে টানা তিনটি হোম সিরিজ খেলেছে ইংল্যান্ড। করোনার দাপট চলা পৃথিবীতে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকেও পরিচিত হতে হচ্ছে জৈব সুরক্ষা বলয়ের সঙ্গে। আসন্ন শ্রীলঙ্কা সফরকে কেন্দ্র করেই সুরক্ষা বলয়ে অন্তর্ভুক্ত হতে যাচ্ছে টাইগাররা। সবকিছু ঠিক থাকলে আজ বিকালে হোটেল সোনারগাঁয়ে উঠার মধ্য দিয়ে এই বলয়ে প্রবেশ করবেন মুমিনুল-মুশফিকরা। তার আগে আজ সকালে মিরপুর স্টেডিয়ামে অনুশীলন করবেন ক্রিকেটাররা।

পরিকল্পনা অনুযায়ী কলম্বোর বিমানে চড়ার আগে সাত দিন আবাসিক ক্যাম্পে থাকবেন ক্রিকেটাররা। হোটেল সোনারগাঁয়ে সুরক্ষা বলয়ের মাধ্যমে প্রাণঘাতী করোনা থেকে তাদেরকে দূরে রাখার চেষ্টা করবে বিসিবি। যেখানে দুটি ফ্লোরে ক্রিকেটার, কোচরা আলাদা আলাদা রুমে থাকবেন। জিম, রেস্টুরেন্টও তাদের জন্য আলাদা হবে। পরিবারকে দূরে রাখতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে অক্ষরে অক্ষরে। এমন অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের জন্য একেবারেই নতুন। তবে তাতে বিচলিত নন টাইগাররা। টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হকের চোখ অবশ্য খেলার সুযোগের দিকেই নিবদ্ধ। সুরক্ষা বলয়, নিয়ম, বিধিনিষেধের চেয়ে সামনেই খেলার সুযোগ ভেবে রোমাঞ্চিত মুমিনুল। মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ মিঠুন বলেছেন, করোনাকালে নতুন অনেক কিছুর সঙ্গেই মানিয়ে নিয়েছেন। সুরক্ষা বলয়ের সঙ্গেও মানিয়ে নিতে হবে। ২২ গজের লড়াইয়ে নামতে মুখিয়ে আছেন তিনিও।

গত মার্চের পর থেকে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটের বাইরে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। লঙ্কা সফর দিয়ে ক্রিকেটে ফিরতে যাচ্ছে বাংলাদেশ দল। মুমিনুল তাই সুরক্ষা বলয় নিয়ে উদ্বিগ্ন নন। গতকাল জানতে চাইলে টেস্ট অধিনায়ক বলেছেন, ‘চিন্তা নাই, এমনিতে দেখেন কেউ খেলার সুযোগ পাচ্ছে না, আমরা একটা খেলার সুযোগ পাব। আমার কাছে মনে হয়, এটাই সবচেয়ে বড় পাওয়া। আমাদের ফোকাস ঐ দিকেই বেশি যে, আমরা খেলার সুযোগ পাব। আমরা নিজের দেশে প্র্যাকটিস করছি, একটা সিরিজ খেলার সুযোগ আসছে। খেলাটাই আসল। অনেক দিন আমরা খেলার বাইরে। খেলায় ফেরা যাবে এটাই তো বড়।’

নতুন পরিবেশে মানিয়ে নিতে চান মিঠুন। গতকাল তিনি বলেছেন, ‘এখন সবকিছুই নতুন। গত ৬ মাসে যা কিছু করছি, সবই স্বাভাবিক জীবন থেকে নতুন। সবকিছু যখন মানিয়ে নিলাম, এটাও মানিয়ে নিতে হবে আর কি।’

সুরক্ষা বলয় নিয়ে চিন্তিত নন মিঠুন। মিডল অর্ডার এই ব্যাটসম্যান বলেছেন, ‘চিন্তিত না। কারণ আমরা তো ছয় মাস খেলার বাইরে থেকে প্রায় অতিষ্ঠ হয়ে গেছি। খেলায় ফেরার জন্যও তো আমরা খুব এক্সাইটেড।’