ইত্তেফাক রিপোর্ট
তেজগাঁও এলেনবাড়ি সরকারি স্টাফ কোয়ার্টারের একটি ভবনের ছাদ থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার করা নারীর লাশের অবশেষে পরিচয় মিলেছে। তার নাম জুলেখা বেগম (৩২)। বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর এলাকায়। ঢাকায় পল্লবীর আলোকদি এলাকায় বড় বোন মায়ার সঙ্গে তিনি থাকতেন। লাশের আঙুলের ছাপ নিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের সার্ভার থেকে জুলেখা বেগমের পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশ। পরে তার বোন মায়া তেজগাঁও থানায় উপস্থিত হয়ে লাশের ছবি দেখে শনাক্ত করেন। বৃহস্পতিবার সকালে এলেনবাড়ি সরকারি স্টাফ কোয়ার্টারের ছয়তলাবিশিষ্ট ২ নম্বর ভবনের ছাদ থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
তেজগাঁও থানার ওসি মো. সালাউদ্দিন মিয়া জানান, মায়া পুলিশকে জানায় যে, তার বোন ‘ভাসমান পতিতাবৃত্তি’ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। করোনাকালীন তার কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সে তার বাসায় থাকত। চলতি মাস থেকে সে আবার ভাসমান পতিতাবৃত্তির কাজ শুরু করে। সে বাসায় যেত না। কোথায় থাকত সে বিষয়েও তারা কিছুই জানে না।
ওসি আরো জানান, বস্তাবন্দি ভাসমান পতিতার লাশ ভবনের ছাদে কারা নিয়ে গেছে—সে ব্যাপারে তদন্ত করা হচ্ছে। পুলিশ ধারণা করছে, ভবনের কেউ অথবা বাইরের কেউ বুধবার রাতে অসামাজিক কার্যকলাপ করে ঐ নারীকে হত্যা করেছে। গতকাল নিহত জুলেখার বোন মায়া বাদী হয়ে তেজগাঁও থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় অজ্ঞাত পরিচয় পাঁচ-ছয় জনকে আসামি করা হয়েছে।
