গাংনী পৌর মেয়র নিজে ঝাড়ু দিয়ে দোকানের সামনের রাস্তা পরিষ্কার করার খবরটি পড়লাম। বর্তমান ঢাকা সিটির মাননীয় মেয়রদ্বয় চেষ্টা করে যাচ্ছেন ঢাকা শহরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার। আমি কয়েকটি দেশ ভ্রমণ করেছি। অনেকেরই বিদেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা আছে। আমি দেখেছি কোনো দোকানদার কোনো ধরনের আবর্জনা রাস্তায় ফেলেন না। এমনকি ফুটপাতেও অনেক দোকান দেখেছি খাবারের দোকানসহ। দোকনিরা নিজ উদ্যোগে ময়লাগুলো তাঁদের কাছে সংরক্ষণ করেন। দোকান বন্ধ করার সময় আবর্জনা নির্দিষ্ট জায়গায় রেখে আসেন। অনেক সময় সিটি করপোরেশনের গাড়ি এলে সঙ্গে সঙ্গে ময়লা দিয়ে দেন। আমাদেরও সচেতন হতে হবে। আমরাও ফুটপাত থেকে খাবার কিনে খাই। কিন্তু ময়লা কাগজ বা অন্যকিছু নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলি না। কাগজের বিজ্ঞাপন লাগানোর কালচার থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। একবার পোস্টার বা ব্যানার লাগানো হলে সেটা আর তোলা হয় না। ছিঁড়ে, পচে ঝুলে পড়ে, কখনো পথচারীদের মাথায় আটকায়। ঢাকা ও চট্টগ্রামে বড় বড় ফ্লাইওভার হয়েছে। তার নিচে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ। সিটি করপোরেশন ফ্লাইওভারের পিলারগুলি বড় বড় কোম্পানির কাছে ভাড়া দিয়ে তাদের সহযোগিতা চাইতে পারে। ভাড়া নেওয়া কোম্পানিগুলো ডিজিটালাইজড সাইনবোর্ড স্থাপন করে রক্ষণাবেক্ষণ করবে। এতে সিটি কপোরেশনের রাজস্ব আসার পাশাপাশি শহরের সৌন্দর্য বাড়বে। দোকানদারদের ব্যাপকভাবে সচেতন করতে ওয়ার্ড কমিশনারগণ ভূমিকা রাখতে পারেন। পর্যায়ক্রমিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান থাকতে হবে। আমাদের মন-মানসিকতায় পরিবর্তন আসা দরকার।
এম সফিকুল ইসলাম
খিলগাঁও, ঢাকা
